1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
ঘূর্ণিঝড় মোখা’র ভয়ে আধা-পাকা ধান কাটছেন মাদারীপুরের কৃষক - Madaripur Protidin
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপুজা: রাজৈরে পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্যসহ জেলা প্রশাসন বাংলাদেশকে আর কোন আধিপত্য শক্তির আওতায় আসতে দিবে না জনগণ- মাদারীপুরে এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: জাহান্দার আলী মিয়া এমপি। মাদারীপুরে ডিবির অভিযানে ৭ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার রাজৈরে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোরী নিহত, আহত ২ রাজৈরে দুঃস্থ   পরিবারকে আধাপাকা ঘর নির্মান করে দিচ্ছে  গাংকান্দি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন রাজৈরে ৮কেজি গাজাসহ যুবক গ্রেপ্তার মাদারীপুরের টেকেরহাটে আধুনিক মানের  প্রাইভেট হসপিটালের উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া।  মাদারীপুরের কালকিনিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ

ঘূর্ণিঝড় মোখা’র ভয়ে আধা-পাকা ধান কাটছেন মাদারীপুরের কৃষক

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১২ মে, ২০২৩, ৬.১২ পিএম
  • ৫২৮ জন পঠিত

মাদারীপুর সংবাদদাতা।:
ঘূর্ণিঝড় মোখা’র অশনি সংকেতে ক্ষতির শঙ্কায় আধা-পাকা ধান কাটছেন মাদারীপুরের কৃষকরা। বিগত বছরগুলোতে ঝড়ে কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হওয়ায় এ বছর আগেভাগেই ক্ষেত থেকে ধান কাটছেন। এরই মধ্যে নিন্মাঞ্চলের রোপা ইরি ধান কেটে ঘরেও নিয়েছেন কৃষকরা। আর মাদারীপুর জেলা কৃষি অফিস, ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে পরামর্শ দিয়েছেন। জেলার ৫৫ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে বলেও তথ্য দিয়েছেন কৃষি অফিস।

মাদারীপুরের গৌদি এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চলছে ধান কাটার মহোৎসব। কারোই দম ফেলার ফুসরত নেই। এক সাথে দলবেধেঁ ধান কাটছেন কৃষক। চলতি রোপা বোরো মৌসুমে ফলনও ভালো হয়েছে, তবে ঘূর্ণিঝড় মোখা’র অশনি সংকেতে শঙ্কার ডানা মেলেছে কৃষককের মনে। তাই অজানা ভয়ে আগেভাগেই সোনার ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা। সার বীজ সংকট আর পানি সেচের অভাবেও দমে যায়নি চাষিরা। যে কারণে ফলন দেখে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও ঝড়ের কারণে চিন্তার ভাঁজ চাষিদের চোখে-মুখে।

এলাকার কৃষক মিলন ভূইয়া বলেন, ‘আমার প্রায় তিন বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম। ধানও মোটামুটি ভালো হয়েছে। আর সপ্তাহখানিক মাঠে থাকলে ধানটা পুরো পুষ্ট হতো, কিন্তু শুনতেছি শীঘ্রই নাকি ঝড়-তুফান হবে। তাই আগেভাবেই ধান ঘরে উঠাইতেছি। এতো কষ্টের ফসল যাতে বেহাত না হয়, সেদিকে নজর রেখেই ধান কাটছি।’
আরেক চাষি আমজেদ মাতুব্বর বলেন, ‘গতবারও ধান পাকার শেষ দিকে ঝড় এসে অনেক ক্ষতি হয়েছে। এবার আর সেই ভুল করবো না, ক্ষতির আগেই ধান কাইটা ঘরে তুলবো। তবে আগের মতো আর ধানে লাভ নাই। সার বীজ আর সেচের কারণে লাভের চেয়ে লসই বেশি হয়। তারপরে যদি ঝড়ে ক্ষতি হয়, তাহেল আমাদের বাঁচার পথ থাকবে না।’

মাদারীপুর জেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এবছর জেলায় ৩৩ হাজার ৫৬৬ হেক্টর জমিতে রোপা বোরো আবাদ হয়েছে। যা গতবারের চেয়েও ৫৫০ হেক্টর বেশি। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ২২০ মেক্ট্রিক টন ধান। যেখান থেকে চাল উৎপাদনের পরিমাণ হবে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৫ মেক্ট্রিক টন।
এব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সন্তোষ চন্দ্র চন্দ বলেন, মাদারীপুর জেলায় ইতোমধ্যে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ধান পেকেছে। মাঠে এখনো ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কাঁচা ধান রয়ে গেছে। ফলে কৃষকদের আগেভাগে ধান টাকার পর্রামশ দিচ্ছি। আশা রাখি আগামী ১৫ থেকে ১৬ মে’র মধ্যে পুরো ধান পেকে যাবে, তবে ভয়ের কারণে আগেই ধানতে কৃষকদের অনুরোধ করা হচ্ছে। মাদারীপুর জেলায় প্রধান খাদ্য উৎপাদনকারী পন্য হচ্ছে ধান। তাই কৃষকদের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বরাবরই আমাদের থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!