1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে এলপিজি গ্রাসের কৃত্রিম সংকট , বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার । প্রভাব পড়ছে খুচরা বিক্রেতাদের উপর। - Madaripur Protidin
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা

মাদারীপুরে এলপিজি গ্রাসের কৃত্রিম সংকট , বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার । প্রভাব পড়ছে খুচরা বিক্রেতাদের উপর।

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০.২৫ এএম
  • ২২৬ জন পঠিত

মাদারীপুর  প্রতিনিধি।

মাদারীপুরের এলপিজি গ্যাস ডিলারদের   গোডাউনে গ্যাস ভর্তি  সিলিন্ডারের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে  তারা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করছে এলপিজি গ্যাস  সিলিন্ডার। মাদারীপুরর জেলার ৫টি উপজেলায় একই চিত্র। জেলার বিভিন্ন হাটবাজারগুলোতে ক্রেতাদের ১২ কেজি ওজনের প্রতিটি সিলিন্ডারে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুনতে হচ্ছে। আর এর বেশী প্রভাব পড়ছে খুচরা বিক্রেতাদের উপর। আর    গ্রামগঞ্জে সাধারন ক্রেতারা চরম ভোগান্তি ও বিড়াম্বনার শিকার হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়তি টাকা গোনার বাড়িতি চাপ তো রয়েছেই।  বোতলের গায়ে নির্ধারিত মূল্য লেখা না থাকার কারনে এ সুযোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। তবে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

Screenshot

মাদারীপুরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সবচেয়ে বড় গ্যাস সিলিন্ডার ডিলার সৈয়দ মনিরের গোডাউনে শত শত বোতল মজুত। ট্রাক ও ভ্যানযোগে সেখানে আনা হচ্ছে আরও সিলিন্ডার। একই এলাকার মুফতি ফায়েকুজ্জামান নামের আরেক ডিলারের গোডাউনেও পর্যাপ্ত সিলিন্ডার মজুত থাকতে দেখা যায়। অথচ বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তি দাম আদায় করা হচ্ছে।

রাজৈরে ্উপজেলার টেকেরহাট বন্দরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্যাস ডিলার জানান, আমাদের তো মুল কোম্পানী থেকে  সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে    ৬০/৭০টাকা  বেশী দামে গ্যাস কিনে আনতে হয়। তার উপর রয়েছে লেবার খরচ, পরিবহন খরচসহ নানা বিধ সমস্যা। যা বলা যায় না , মেনে নেওয়া যায় না। এজন্য বেশী দামে বিক্রি করতে বাধ্য হই।

শকনী  লেকের দক্ষিণপাড়ের হোটেল ব্যবসায়ী খোকন তালুকদার জানান, সিলিন্ডারের গায়ে সরকার নির্ধারিত দাম না থাকায় ডিলাররা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। ব্যবসা চালাতে প্রতি মাসে তার ৬৫-৭০টি সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। ১২ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৭২৮ টাকা হলেও তাকে আরও ২০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকটাই অসহায় এই হোটেল ব্যবসায়ী।

একই অভিযোগ শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ের সাধারণ ক্রেতাদেরও। জেলার অধিকাংশ বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডারে সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসাধু ব্যবসায়ী ও ডিলাররা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন।

খাবার ঘরের মালিক আসাদ শিকদার  বলেন, ‘প্রতিনিয়তই গ্যাস সিলিন্ডারের বাড়তি দাম রাখা হচ্ছে। প্রশাসন এর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। আমরা চাই, সরকার নির্ধারিত দামেই এই সিলিন্ডার বিক্রি করা হোক। তা না হলে খাবারের দোকান চালানো বন্ধ করে দিতে হবে।’

টেকেরহাট বন্দরের ইসলামিয়া হোটেলের মালিক আকা বাঘা বলেন,   সরকার নির্ধারিত  মুল্যের বেশী দাম গ্যাস কিনতে হয় । এখন হোটেল ব্যবসা চালিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষে এদিকে নজর দেয়া জরুরী।

বাড়তি দাম নেয়ার পেছনে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও সরবরাহ কমে যাওয়ার অজুহাত দেখাচ্ছেন ডিলাররা। জেলার সবচেয়ে বড় ডিলার সৈয়দ মনির বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় গ্যাস সিলিন্ডার অর্ধেক পাওয়া যাচ্ছে। সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দেয়, তার চেয়েও বেশি দামে আমাদের পাইকারি কিনে আনতে হয়। এছাড়া জ্বালানি খরচও বেড়েছে। তাই বোতলে কিছুটা বাড়তি দাম রাখতে হয়।’ রাজৈরে প্রায় ১৬/১৭ জন ডিলার রয়েছে।

জানা যায়, মাদারীপুর জেলায় অর্ধশতাধিক ডিলার পাইকারিভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করেন। খুচরা দোকানের সংখ্যাও শত শত। প্রশাসন মাঝে মাঝে ছোটখাটো দুই-একটি অভিযান চালালেও পরে তা কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়।

এ বিষয়ে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মিজ্ মর্জিনা আক্তার বলেন, ‘গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতারা বেশি দাম নিচ্ছে, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। যারা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাড়তি দাম নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!