1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় রাজৈরে ২ জন নিহত হয় । যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সীর বাবা-মার অসহায় জীবন যাপন। গ্রামের বাড়ীতে সরকারীভাবে একটি ঘর নির্মাণের দাবি তাদের। - Madaripur Protidin
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাঁদে পড়ে নিহত-৩, আহত-৩০  মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী।

২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় রাজৈরে ২ জন নিহত হয় । যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সীর বাবা-মার অসহায় জীবন যাপন। গ্রামের বাড়ীতে সরকারীভাবে একটি ঘর নির্মাণের দাবি তাদের।

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২, ১.২৭ পিএম
  • ৫৮২ জন পঠিত

মিলন খোন্দকার, রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি॥
যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সী। মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের উত্তর হোসেনপুর গ্রামের আইয়ুব আলী মুন্সীর ছেলে। দলের জন্য ছিল নিবেদিত প্রান। যেখানেই আওয়ামীলীগের মিটিং মিছিল হত- সেখানেই ছিল লিটন মুন্সীর অবস্থান। সে ছিল দলের নিবেদিত কর্মী। আর তার টানেই লিটন সেদিন সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকা গিয়েছিল এবং ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নির্মমভাবে নিহত হয় । সেই নিহত লিটন মুন্সীর পরিবারে শোকের ছায়া এখনও কাটেনি। তবে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় ওই পরিবারে কান্নার পাশাপাশি এখন কিছুটা হলেও আনন্দ বইছে । কিন্তু গত ৪ বছর যাবৎ কেউই খবর নেয়নি তার বাবা-মায়ের। এখন অসহায় জীবন যাপন করছে তারা। পুরোনো ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়ে। তাই গ্রামের বাড়ীতে সরকারীভাবে একটি ঘর নির্মাণের দাবি তাদের।

বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহতদের পরিবার কেমন আছেন -জানার জন্য শনিবার রাজৈর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের উত্তর হোসেনপুর গ্রামের যুবলীগ নেতা নিহত লিটন মুন্সীর বাড়ি গেলে এক হৃদয় বিদারক ঘটনার সৃষ্টি হয়। ১৮ বছর পার হলেও লিটনের বাবা- মায়ের ভাগ্যের তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি। লিটনের স্ত্রী মাফিয়া বেগম লিটন মারা যাওয়ার ৩ বছর পরই আবার প্রবাসী এক যুবককে বিয়ে করে শশুর বাড়ীতে থাকেন। সরকারী সুযোগ-সুবিধা পেয়ে একমাত্র মেয়ে মিথিলা মোটামুটি ভালই আছে। এ সময় লিটন মুন্সীর মা আছিয়া বেগম, বাবা আইয়ুব আলী মুন্সী, বোন ইসমতআরা, কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

মা আছিয়া বেগম বলেন, আমার বাবা (লিটন মুন্সী) বলেছিল পুরোনো ঘর মেরামত করার দরকার নেই। আমি এখানে বিল্ডিং দিব। কিন্তু সেটা আর হয় নাই । পুরোনো ঘরেই আমরা থাকি। ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়ে। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের গ্রামের বাড়ীতে একটি ঘর নির্মাণ করে দেন তাহলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভালভাবে থাকতে পারব। আমরা দুজনেই অসুস্থ। প্রতিমাসে আমাদের ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার ওষুধ লাগে। এসব টাকা পাব কোথায়? তিনি আরও জানান, শুনেছি প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালে লিটনের মেয়ে মিথিলার নামে ঢাকায় একটি ফ্লাট বাড়ী ্এবং ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। এছাড়াও প্রতিমাসে তার খরচ বাবদ ৫ হাজার করে টাকা দেন। মিথিলা মাদারীপুর থাকে। মাঝে মাঝে আমাদের কাছে ফোন করে।

লিটনের বাবা আইয়ুব আলী মুন্সী জানান, ‘আমার ছেলের তো কোন দোষ ছিল না। আমার একমাত্র ছেলেকে কবরে শুইয়ে রেখে কিভাবে বেঁচে আছি বলতে পারেন? সরকারীভাবে ৫ লক্ষ টাকা পেয়েছিলাম। চিকিৎসা করতে সে টাকা খরচ হয়ে গেছে। এখন আমি মাসে ৩ হাজার টাকা করে সরকারী ভাতা পাই। এতে আমাদের সংসার চলেনা। এ সময় তিনি এই গ্রেনেড হামলাকারীদের শাস্তির রায় কার্যকর করার দাবি জানান।

নিহত লিটন মুন্সীর একমাত্র মেয়ে নুসরাত জাহান মিথিলা বলেন, “২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় যখন আমার বাবা মারা যান তখন আমি খুবই ছোট ছিলাম। বাবা কি জিনিস তা বুঝতে পারিনি। বাবার আদর পাওয়ার আগেই বাবাকে হারিয়েছি। হামলার ঘটনায় অপরাধীদের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর হলেই আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে। মিথিলার মা মাফিয়া বেগম জানান, মিথিলা এখন মাদারীপুর সরকারী কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে । যোগ্য হলে তার একটি চাকুরীর ব্যবস্থাসহ গ্রেনেড হামলাকারীদের শাস্তির রায় কার্যকর করার দাবি জানাই ।

গ্রেনেড হামলায় অন্যদের মধ্যে নিহত সুফিয়া বেগমের বাড়ি রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়নের মহিষমারি গ্রামে। ওই দিন মহিলা নেত্রীদের সাথে প্রথম সারিতেই ছিলেন সুফিয়া বেগম। চঞ্চলা ও উদ্যমী এই সুফিয়া সপরিবারে ঢাকায় থাকতেন। নিহত হবার পর তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!