1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে আদালতের রায় পেয়েও জমিতে যেতে পারছেন না কাঠমিস্ত্রী মকবুল ফকির - Madaripur Protidin
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপুজা: রাজৈরে পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্যসহ জেলা প্রশাসন বাংলাদেশকে আর কোন আধিপত্য শক্তির আওতায় আসতে দিবে না জনগণ- মাদারীপুরে এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: জাহান্দার আলী মিয়া এমপি। মাদারীপুরে ডিবির অভিযানে ৭ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার রাজৈরে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোরী নিহত, আহত ২ রাজৈরে দুঃস্থ   পরিবারকে আধাপাকা ঘর নির্মান করে দিচ্ছে  গাংকান্দি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন রাজৈরে ৮কেজি গাজাসহ যুবক গ্রেপ্তার মাদারীপুরের টেকেরহাটে আধুনিক মানের  প্রাইভেট হসপিটালের উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া।  মাদারীপুরের কালকিনিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ

মাদারীপুরে আদালতের রায় পেয়েও জমিতে যেতে পারছেন না কাঠমিস্ত্রী মকবুল ফকির

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৪.৪২ পিএম
  • ৪৮৫ জন পঠিত
মাদারীপুর প্রতিনিধি।
মাদারীপুরে মামলার শেষে আদালতের রায় পেয়েও নিজ জমিতে দখলে যেতে পারছেন না কাঠমিস্ত্রী মকবুল পরিবার। বিবাদীপক্ষ ক্ষমতাধর হওয়ায় চরম আতঙ্কে ভুক্তভোগীরা। প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী মকবুল ফকির।
মামলার নথি ও ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি মৌজায় জমি ক্রয় করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন মোজাফফর ফকিরের ছেলে মকবুল ফকির। সেই জমিতে জোরপূর্বক একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করেন ওই এলাকার আমির হোসেনের স্ত্রী নুরজাহান বেগম। এ সময় বাধা দিলে হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন কাঠমিস্ত্রী মকবুল। শেষমেষ ২০০৪ সালের মাদারীপুরের যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন মকবুল।
মামলাটি ২০২৩ সালের ১০ মে বাদী মকবুল ফকিরের পক্ষে রায় দেন আদালত। বিবাদীপক্ষ জেলা জজ আদালত ও পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে যান। সেখান থেকেও মকবুলের পক্ষে রায় বহাল থাকে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই মকবুলকে জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না নুরজাহান। এতে চরম হতাশাগ্রস্থ কাঠমিস্ত্রীর পরিবার। এলাকার লোকজনকে বললেও কোন কর্ণপাত করছেন না অভিযুক্ত নুরজাহান বেগম। অপরদিকে নুরজাহান বেগমের দাবি, ক্রয়সূত্রে জমির মালিকানা থাকায় ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন তিনি।
জানা যায়, কাঠমিস্ত্রী মকবুল ফকিরের ৭ মেয়ের বিয়ে হওয়ায় শ্বশুরবাড়ি থাকেন তারা। আর একমাত্র ছেলে ইতালি আছেন ১০ বছর ধরে। এই সুযোগে বিবাদীপক্ষ মকবুলকে একা পেয়ে তার জমিতে যেতে দিচ্ছেন না। নিজ জমি দখলে যেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মকবুল।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নুরজাহান বেগম বলেন, আমি ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগদখলে আছি। মকবুল যে জমি দাবি করে এটা আমাদের দাগ বা খতিয়ানের অংশ নয়। আমি ল্যান্ড সার্ভে একটি মামলা করেছি। সেই মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। এছাড়া ভুমি রেকর্ডের সময় ভুলবশত অন্যনাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছিল। পরে মকবুল মামলা করেছে, সেই মামলায়  হেরেছি।

নুরজাহানের আইনজীবির সহকারি তুষার বলেন, নুরজাহান বেগম একটি ল্যান্ড সার্ভে মামলা করেছেন। সেটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে মকবুল ফকিরের আইনজীবি অ্যাডভোকেট প্রদীপ সরকার বলেন, মকবুল ফকির মামলা করে রায় পেয়েছেন। সেই মামলায় ডিক্রিও হয়েছে। বিবাদী আদালতের রায় অমান্য করায় মকবুল ফকির নতুন একটি জারি মোকাদ্দমা করেছেন। এই জারি মোকাদ্দমার মাধ্যমেই পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিতে আদালতের দ্বারস্থ হবে মকবুল ফকির। অর্থাৎ আমার মক্কেলের ন্যায্য অধিকার ফেরত পাওয়ার জন্য সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল নোমান বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত আইনী সিদ্ধান্তের জন্য আদালত থেকে কোন নির্দেশনা পাওয়া গেলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। যেহেতু আদালতে জারি মোকাদ্দমা চলামান, এই মোকাদ্দমার সিদ্ধান্ত দিবেন বিজ্ঞ আদালত। ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে কোন কার্যক্রম বাস্তবায়নের আদেশ হলে তা পালন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!