1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
ঢাকার সাভার থেকে ৪৯,০০০/- টাকার জালনোট ও জালনোট তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ মুলহোতা মোঃ মহিবুল্ল্যাহ (২৩) ও তার সহযোগী গ্রেফতার - Madaripur Protidin
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাঁদে পড়ে নিহত-৩, আহত-৩০  মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী।

ঢাকার সাভার থেকে ৪৯,০০০/- টাকার জালনোট ও জালনোট তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ মুলহোতা মোঃ মহিবুল্ল্যাহ (২৩) ও তার সহযোগী গ্রেফতার

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩, ৪.০৬ পিএম
  • ৫৭৯ জন পঠিত

অফিস রিপোর্টঃ ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন মজিদপুর এলাকা হতে ৪৯,০০০/- টাকার জালনোট ও জালনোট তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ চক্রের মুলহোতা মোঃ মহিবুল্ল্যাহ (২৩) ও তার ০১ সহযোগী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

র‌্যাব জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকার জেলার সাভার মডেল থানাধীন মজিদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জালনোট তৈরী চক্রের মূলহোতা ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ধৃত আসামীদের নিকট হতে ৪৯,০০০/- টাকা মূল্যমানের জালনোট, ০৩ টি মোবাইল ফোন, ০১ টি ল্যাপটপ, ০১টি পিস্তল লাইটার, ০২ টি চাকু, ০১ টি প্রিন্টার, ০১টি পেনড্রাইভ এবং নগদ ৬,৭৬০/- টাকাসহ জালনোট তৈরীর বিপুল পরিমান সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতমোঃ মহিবুল্লাহ (২৩), জেলা-মাগুরা ও মোঃ আব্দুল্লাহ আল তুহিন (২১), জেলা-রাজবাড়ী
তাদের অপরাধ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই জালনোট তৈরী করে বিভিন্ন লোকদের কাছে স্বল্পমূল্যে জালনোট বিক্রি করে আসছে। এ চক্রটির মূলহোতা গ্রেফতারকৃত মোঃ মহিবুল্ল্যাহ এবং মোঃ আব্দুল্লাহ আল তুহিন তার প্রধান সহযোগী। গ্রেফতারকৃতরা আরো জানায় যে, তারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই জালনোটের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। এই চক্রের সাথে আরও ১৫-২০ জন সদস্য জড়িত রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মোঃ মহিবুল্লাহ (২৩) মাগুরা জেলার শালিকা থানাধীন রামপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে একটি পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউট হতে ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্চিনিয়ারিং সম্পন্ন করে। এর পর হতে সে অনলাইন ভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে। বর্তমানে সে স্বল্প সময়ের মধ্যে অধিক টাকা অর্জনের সহজ পন্থা হিসেবে জালটাকা তৈরীর অবৈধ পথ বেছে নেয়। তৈরীকৃত জালনোটগুলো তার চক্রে থাকা সহযোগী গ্রেফতারকৃত মোঃ আব্দুল্লাহ আল তুহিন এর মাধ্যমে বিক্রয় করে।

গ্রেফতারকৃত মোঃ আব্দুল্লাহ আল তুহিন (২১) রাজবাড়ী জেলার কালোখালি থানাধীন বড়কলকলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ঢাকা আসার পর ফেসবুক এর মাধ্যমে জালনোট তৈরীর মুলহোতা মহিবুল্ল্যার সাথে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে মহিবুল্ল্যাহ তাকে স্বল্প সময়ের মধ্যে অধিক টাকা অর্জনের সহজ পন্থা হিসেবে জালটাকা ক্রয়-বিক্রয় এর প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে তৈরীকৃত জালনোটগুলো দেশের বিভিন্ন জেলার ছড়িয়ে দিত।

৬। এ চক্রের মূলহোতা মহিবুল্ল্যাহ নিজেই স্থানীয় বাজার হতে জাল নোট তৈরির প্রয়োজনীয় উপকরণ যেমন টিস্যু পেপার, প্রিন্টার, ল্যাপটপ ও প্রিন্টারের কালি ক্রয় করে তার ভাড়া বাসায় গোপনে বিশেষ কৌশলে এ-৪ সাইজের ০২ টি টিস্যু পেপার একসাথে আঠা দিয়ে লাগিয়ে রঙ্গিন প্রিন্টারে ডিজাইনকৃত টাকা তৈরি করত। সে স্থানীয় বাজার থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকান হতে এসব জালনোট তৈরির সরঞ্জামাদি ক্রয় করত। জালনোট তৈরির পর সে তার সহযোগীকে তার কাছ থেকে জালনোট নিয়ে যেতে বলত। প্রতি ০১ লক্ষ জাল নোট ১০-১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করত। তার সহযোগি মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ ও বিক্রি করত।

টার্গেট বা চাহিদা অনুযায়ী মহিবুল্ল্যাহ প্রতিমাসে তার সহযোগীকে বোনাসও দিত। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানায়, মহিবুল্ল্যাহ নিজেও এ জাল নোট স্থানীয় বাজারে ব্যবহার করত; কয়েকবার সে সাধারণ জনগণের হাতে ধরাও পরেছিল বলে সে জানায়। আসামীরা সাধারণত কোন মেলায়, ঈদে পশুর হাটে ও অধিক জন-সমাগম অনুষ্ঠানে তারা জালনোট বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ব্যবহার করত। বর্তমানে বাণিজ্য মেলা ও শীতকালীন প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন উৎসব ও মেলাকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমান জালটাকা তারা তৈরীর পরিকল্পনা করে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে গ্রেফতারকৃত মহিবুল্ল্যাহ জালনোট প্রিন্টিং এর সময় কাগজের অব্যবহৃত ও নষ্ট অংশগুলো পুড়িয়ে ফেলত। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যাতে তাকে ধরতে না পারে সে জন্য গ্রেফতারকৃত মহিবুল্ল্যাহ ঘন ঘন বাসা পরিবর্তন করত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!