1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে আলোচিত ইরিব্লকের ম্যানেজার আশরাফ আলী বেপারীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ৪৪ আসামীর সবাইকেই খালাস - Madaripur Protidin
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে দেশে আসলেই গ্রেফতার হবেন – মাদারীপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মাদারীপুরে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাঁদে পড়ে নিহত-৩, আহত-৩০  মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা

মাদারীপুরে আলোচিত ইরিব্লকের ম্যানেজার আশরাফ আলী বেপারীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ৪৪ আসামীর সবাইকেই খালাস

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩, ৭.৩২ পিএম
  • ৫৮১ জন পঠিত

টেকেরহাট (মাদারীপুর)সংবাদদাতা।
মাদারীপুরে ২০০৫ সালের আলোচিত ইরিব্লকের ম্যানেজার আশরাফ আলী বেপারীকে নিশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা মামলায় সব আসামীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। রোববার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-০১ এর বিচারক লায়লাতুল ফেরদৌস এ রায় দেন। এর আগে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পুরো আদালত জুড়ে নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্র“তার জের ধরে গত ২০০৫ সালের ১২ মার্চ সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের আমড়াতলা গ্রামের হামিদ বেপারীর ছেলে আশরাফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় পরদিন নিহতের বড়ভাই সিদ্দিকুর রহমান বেপারী বাদী হয়ে ৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২০-২২ জনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর ২০০৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারি পুলিশ সুপার মো. শাহ নেওয়াজ খালেদ ৪৬ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ সময় এজাহারনামীয় ৪ আসামী ঘটনার সাথে জড়িত নয় বলেও উল্লেখ করেন। পরে বিভিন্ন সময় আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, মেডিকেল অফিসারসহ ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দোষ প্রমাণ না হওয়ায় আদালত এজাহারনামীয় সকল আসামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

এ সময় ৯৫ পৃষ্টার রায়ে আদালত বলেন, পূর্বের শত্র“তা ও পুরনো ৪টি মামলা থেকে মুক্তি পেতে এই হত্যা মামলায় আসামীদের জড়ানো হয়েছে। যা সমাজের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। রাষ্ট্রপক্ষ এই হত্যা মামলায় পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমান হাজির করতে পারিনি। এছাড়া বাদীপক্ষের সাক্ষির কেউই ঘটনার সত্যতা প্রমান করতে পারিনি। এমনকি নিহতের স্ত্রীও তার সাক্ষিতে তিন রকম কথা বলেছে। আদালত সবকিছু বিবেচনা করে দেখেছে এই হত্যাকান্ড এজাহারনামীয় আসামীদের মাধ্যমে সংগঠিত হয়নি। এই ঘটনায় অন্যরা দায়ী, যা প্রমানে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। তাই সব আসামীই খালাস পেয়েছে।

আসামীপক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট মো. জাফর আলী মিয়া জানান, এই রায়ের মাধ্যমে আসামীপক্ষ ন্যায় বিচার পেয়েছে। আশরাফকে হত্যা করা হলেও মামলার এজাহারনামীয় আসামীরা জড়িত ছিলেন না। পূর্ব শত্র“তার বশেই এই মামলায় আসামীদের নাম দেয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন আসামীরা এই মামলায় হয়রানী, অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তবে, রায়ের মাধ্যমে আসামীপক্ষ সন্তুষ্ট।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পিপি (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি) অ্যাডভোকেট গোলাম আজম শামীম গৌড়া বলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ আপিল করবে। বাদীপক্ষ মামলায় যথেষ্ট সাক্ষ্য ও প্রমান আদালতে উপস্থাপন করেছে। তাই রায় নিয়ে বাদীপক্ষ ক্ষুব্ধ।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলনে, হত্যাকান্ডের রায়কে ঘিরে পুরো আদালতজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। রায়ের আগে আদালতপাড়া থেকে অপিরিচিত লোকজন ও আদালতের কাজে সংশ্লিষ্ট নয়, এমন সবাইকে সরিয়ে দেয়া হয়। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আসামীদের আদালতে হাজির করা ও রায় শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!