1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে সোহেল হত্যা: মামলায় সাক্ষী হওয়ায় আসামীপক্ষের হুমকি-ধামকি - Madaripur Protidin
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

মাদারীপুরে সোহেল হত্যা: মামলায় সাক্ষী হওয়ায় আসামীপক্ষের হুমকি-ধামকি

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ৩.৪৭ পিএম
  • ৫৯৬ জন পঠিত

মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুরের রাজৈরে ব্যবসায়ী সোহেল হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আদালতে সাক্ষী চলছে। তবে মামলার সাক্ষীদের হুমকি-ধামকি দেয়ার অভিযোগ করেছে মামলার বাদীপক্ষ। সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক লায়লাতুল ফেরদাউসের কাছে মামলার পঞ্চম সাক্ষী দেন নাসির হাওলাদার। পরে গণমাধ্যমে আসামীদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার আবদুল খালেক হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদারের বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধ ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তরের জের ধরে ২০১৯ সালের ৯ মে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও তার লোকজন মিলে রাজৈরের মজুমদার বাজারের ব্রিজের কাছে সোহেল হাওলাদারকে একা পেয়ে কুপিয়ে আহত করলে দ্রুত রাজৈর উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে সোহেলর অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়। এঘটনায় বাজিতপুর ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামসহ ১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহতের বড় ভাই বাবু হাওলাদার। এখন চলছে সাক্ষীগ্রহণ। এ অবস্থায় সাক্ষীদের হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

এব্যাপারে মামলার বাদী বাবু হাওলাদার বলেন, ‘দীর্ঘ ৫ বছর হয়ে গেলো আমার ভাইকে নিমর্মভাবে হত্যা করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন, সাক্ষী চলছে। তবে প্রকাশ্যে মামলার আসামীরা চিহ্নিত সাক্ষীদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। যে কারণে আমরা সুষ্ঠু বিচার পাওয়া নিয়ে শংকিত। তাই সাক্ষীদের সুরক্ষা দেয়ার দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে ন্যায় বিচার কামনা করছি।’

মামলার পাঁচ নাম্বার সাক্ষী নাসির হাওলাদার বলেন, ‘আমিসহ আরো কয়েকজন সাক্ষীকের হুমকি দেয়া হচ্ছে, যেন আমরা সঠিক সাক্ষী না দেই। তবে আমি ন্যায়ের পক্ষে সাক্ষী দিয়েই যাবো। এ হত্যার সঠিক বিচার দাবী করছি।’
তবে অভিযোগের বিষয় একাধিক চেষ্টা করেও আসামীদের সাথে কথা বলা যায়নি। অতিরিক্ত সরকারী কৌশলী শামীম গৌড়াও গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে এপিপির দাবী, আদালতের বাহিরে কেউ হুমকি দিলে সেটা থানায় অভিযোগ দায়ের করা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!