1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে আদালতের রায় পেয়েও জমিতে যেতে পারছেন না কাঠমিস্ত্রী মকবুল ফকির - Madaripur Protidin
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান 

মাদারীপুরে আদালতের রায় পেয়েও জমিতে যেতে পারছেন না কাঠমিস্ত্রী মকবুল ফকির

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৪.৪২ পিএম
  • ৪৪৩ জন পঠিত
মাদারীপুর প্রতিনিধি।
মাদারীপুরে মামলার শেষে আদালতের রায় পেয়েও নিজ জমিতে দখলে যেতে পারছেন না কাঠমিস্ত্রী মকবুল পরিবার। বিবাদীপক্ষ ক্ষমতাধর হওয়ায় চরম আতঙ্কে ভুক্তভোগীরা। প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী মকবুল ফকির।
মামলার নথি ও ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি মৌজায় জমি ক্রয় করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন মোজাফফর ফকিরের ছেলে মকবুল ফকির। সেই জমিতে জোরপূর্বক একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করেন ওই এলাকার আমির হোসেনের স্ত্রী নুরজাহান বেগম। এ সময় বাধা দিলে হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন কাঠমিস্ত্রী মকবুল। শেষমেষ ২০০৪ সালের মাদারীপুরের যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন মকবুল।
মামলাটি ২০২৩ সালের ১০ মে বাদী মকবুল ফকিরের পক্ষে রায় দেন আদালত। বিবাদীপক্ষ জেলা জজ আদালত ও পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে যান। সেখান থেকেও মকবুলের পক্ষে রায় বহাল থাকে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই মকবুলকে জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না নুরজাহান। এতে চরম হতাশাগ্রস্থ কাঠমিস্ত্রীর পরিবার। এলাকার লোকজনকে বললেও কোন কর্ণপাত করছেন না অভিযুক্ত নুরজাহান বেগম। অপরদিকে নুরজাহান বেগমের দাবি, ক্রয়সূত্রে জমির মালিকানা থাকায় ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন তিনি।
জানা যায়, কাঠমিস্ত্রী মকবুল ফকিরের ৭ মেয়ের বিয়ে হওয়ায় শ্বশুরবাড়ি থাকেন তারা। আর একমাত্র ছেলে ইতালি আছেন ১০ বছর ধরে। এই সুযোগে বিবাদীপক্ষ মকবুলকে একা পেয়ে তার জমিতে যেতে দিচ্ছেন না। নিজ জমি দখলে যেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মকবুল।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নুরজাহান বেগম বলেন, আমি ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগদখলে আছি। মকবুল যে জমি দাবি করে এটা আমাদের দাগ বা খতিয়ানের অংশ নয়। আমি ল্যান্ড সার্ভে একটি মামলা করেছি। সেই মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। এছাড়া ভুমি রেকর্ডের সময় ভুলবশত অন্যনাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছিল। পরে মকবুল মামলা করেছে, সেই মামলায়  হেরেছি।

নুরজাহানের আইনজীবির সহকারি তুষার বলেন, নুরজাহান বেগম একটি ল্যান্ড সার্ভে মামলা করেছেন। সেটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে মকবুল ফকিরের আইনজীবি অ্যাডভোকেট প্রদীপ সরকার বলেন, মকবুল ফকির মামলা করে রায় পেয়েছেন। সেই মামলায় ডিক্রিও হয়েছে। বিবাদী আদালতের রায় অমান্য করায় মকবুল ফকির নতুন একটি জারি মোকাদ্দমা করেছেন। এই জারি মোকাদ্দমার মাধ্যমেই পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিতে আদালতের দ্বারস্থ হবে মকবুল ফকির। অর্থাৎ আমার মক্কেলের ন্যায্য অধিকার ফেরত পাওয়ার জন্য সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল নোমান বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত আইনী সিদ্ধান্তের জন্য আদালত থেকে কোন নির্দেশনা পাওয়া গেলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। যেহেতু আদালতে জারি মোকাদ্দমা চলামান, এই মোকাদ্দমার সিদ্ধান্ত দিবেন বিজ্ঞ আদালত। ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে কোন কার্যক্রম বাস্তবায়নের আদেশ হলে তা পালন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!