1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে প্রবেশপত্র না আসায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত - Madaripur Protidin
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরের কালকিনিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ শেখ হাসিনাকে দেশে আসলেই গ্রেফতার হবেন – মাদারীপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মাদারীপুরে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাঁদে পড়ে নিহত-৩, আহত-৩০  মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা

মাদারীপুরে প্রবেশপত্র না আসায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮.২৪ এএম
  • ৩১৬ জন পঠিত

মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুরে ফরম পূরনের প্রায় ৩ লাখ টাকা নিয়ে উধাও খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহল মোড়ল ও অফিস সহকারী নুর আলম লিটন কারিকর । ফলে ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র না আসায় পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সোমবার সকালে ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চেয়ার জ¦ালিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ে ফেল করে ২০ শিক্ষার্থী। তাদেরকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের আশ^াস দিয়ে বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটন জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে নেয়। ফরম পূরনের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া ৩ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেয়নি সহকারী শিক্ষক কিংবা অফিস সহায়ক। ফলে আসেনি ওই ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অভিযুক্তদের বিচার দাবীতে শুরু হয় আন্দোলন। খবর পয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আড়াই ঘন্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন উপজেলা প্রশাসন।
আবৃত্তি শিকদার নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে সোহেল স্যার। আমি প্রস্তুতি নিয়েছিলাম পরীক্ষা দেয়ার। কিন্তু প্রবেশপত্র আসেনি। একবছর পিছিয়ে গেলাম। এই ঘটনার আমি বিচার চাই।’
আয়েশা আক্তারের বাবা সুমন খান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের কঠিন বিচার হওয়া উচিৎ। এই ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক দায় নিতে চায় না। তারাও জড়িত থাকতে পারে। আমরা সবাই সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার চাই।’

বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘ঘটনার পর মোবাইল ফোন বন্ধ করে লাপাত্তা অভিযুক্ত শিক্ষক ও অফিস সহকারী। তাদের দোষ পাওয়া গেলে অবশ্যই বিচার হবে। শিক্ষার্থীদের সাথে এমন ঘটনা মেনে নেয়ার মতন না।’

বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক বোরহান খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এবছরে টেষ্ট পরীক্ষার ১২০জন পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে । দুই বিষয়ে ফেল করা ওই ২০জন শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীর অভিভাবক আমাকে না জানিয়ে খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটনের প্রলোভনে (পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ) পড়ে জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে। প্রবেশপত্র না আসার পর শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটন পলাতক রয়েছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক ও সহকারি তাদের ভুল স্বীকার করে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলেছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান, এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা। এছাড়া অভিযুক্ত দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!