1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে প্রবেশপত্র না আসায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত - Madaripur Protidin
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

মাদারীপুরে প্রবেশপত্র না আসায় ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮.২৪ এএম
  • ২৬৮ জন পঠিত

মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুরে ফরম পূরনের প্রায় ৩ লাখ টাকা নিয়ে উধাও খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহল মোড়ল ও অফিস সহকারী নুর আলম লিটন কারিকর । ফলে ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র না আসায় পরীক্ষা দেয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সোমবার সকালে ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চেয়ার জ¦ালিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ে ফেল করে ২০ শিক্ষার্থী। তাদেরকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের আশ^াস দিয়ে বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটন জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে নেয়। ফরম পূরনের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া ৩ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেয়নি সহকারী শিক্ষক কিংবা অফিস সহায়ক। ফলে আসেনি ওই ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। অভিযুক্তদের বিচার দাবীতে শুরু হয় আন্দোলন। খবর পয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আড়াই ঘন্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন উপজেলা প্রশাসন।
আবৃত্তি শিকদার নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে সোহেল স্যার। আমি প্রস্তুতি নিয়েছিলাম পরীক্ষা দেয়ার। কিন্তু প্রবেশপত্র আসেনি। একবছর পিছিয়ে গেলাম। এই ঘটনার আমি বিচার চাই।’
আয়েশা আক্তারের বাবা সুমন খান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের কঠিন বিচার হওয়া উচিৎ। এই ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক দায় নিতে চায় না। তারাও জড়িত থাকতে পারে। আমরা সবাই সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার চাই।’

বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘ঘটনার পর মোবাইল ফোন বন্ধ করে লাপাত্তা অভিযুক্ত শিক্ষক ও অফিস সহকারী। তাদের দোষ পাওয়া গেলে অবশ্যই বিচার হবে। শিক্ষার্থীদের সাথে এমন ঘটনা মেনে নেয়ার মতন না।’

বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক বোরহান খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এবছরে টেষ্ট পরীক্ষার ১২০জন পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে । দুই বিষয়ে ফেল করা ওই ২০জন শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীর অভিভাবক আমাকে না জানিয়ে খন্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটনের প্রলোভনে (পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ) পড়ে জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে। প্রবেশপত্র না আসার পর শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটন পলাতক রয়েছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক ও সহকারি তাদের ভুল স্বীকার করে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলেছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান, এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা। এছাড়া অভিযুক্ত দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!