1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
ভ্যানচালকের মেয়ে গোল্ডেন জিপিএ ৫ পাওয়ায় চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী লেখাপড়ার দায়িত্ব নি‌লেন - Madaripur Protidin
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকরা সমাজের আয়না: খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক

ভ্যানচালকের মেয়ে গোল্ডেন জিপিএ ৫ পাওয়ায় চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী লেখাপড়ার দায়িত্ব নি‌লেন

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০২৩, ৪.০২ পিএম
  • ৬২৮ জন পঠিত

মাদারীপুর প্রতি‌নি‌ধি:

এসএসসি পরীক্ষায় মাদারীপু‌রের শিবচরে ভ্যানচালকের মেয়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুমাইয়া আক্তারের বাড়িতে জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী প্রতিনিধিদের মাধ্যমে মিষ্টি পাঠিয়েছেন। চীফ হুইপ সুমাইয়ার কলেজে লেখাপড়ার দায়িত্ব নেয়ায় কলেজে ভর্তির সকল অনিশ্চয়তা কেটে গেল।
এছাড়াও তার পরিবারের জন্য আশ্রায়ন প্রকল্পে ঘরের ব্যবস্থার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এসময় চীফ হুইপের ভাই ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী কলেজের সভাপতি নাসিরুদ্দিন চৌধুরী সুমাইয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা বলে তাকে আশ্বাস্ত করেন ও ভাল মতো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়াও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী পরিবারটিকে সেলাই মেশিন ও মেধা বৃত্তির ঘোষনা দিয়েছেন।

অদম্য মেধাবী সুমাইয়ার জীবন সংগ্রাম ও কলেজে ভর্তির অনিশ্চয়তা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি চীফ হুইপের নজরে আসলে তিনি অদম্য মেধাবীর পাশে দাড়ান।

জানা যায়, শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের লপ্তিকান্দি গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক মোঃ হবি মোল্লা ও তাসলিমা বেগমের ৪ সন্তানের তৃতীয় মেয়ে সুমাইয়া আক্তার। পদ্মা নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনের শিকার হয়ে চরজানাজাত থেকে এই এলাকায় এসে বছরে পাঁচ হাজার টাকা খাজনায় এক টুকরো জমি ভাড়া নিয়ে দোচালা ঘর তুলে বসত গড়ে হবি মোল্লার পরিবার। এরপর বড় মেয়ের বাচ্চা হওয়ার পর স্বামী তাড়িয়ে দেয়ায় সেও আশ্রয় নিয়েছে এ বাড়িতে। সবমিলিয়ে সংসার চালানো নিয়েই হিমশিম পরিস্থিতি। দিন এনে দিন খাওয়া পরিবারটির কাছে লেখাপড়া স্বপ্নের মতো হলেও সুমাইয়ার ছিল অদম্য ইচ্ছা শক্তি। প্রতিদিন আধা ঘন্টার মতো পায়ে হেটে পাচ্চর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যেত আবার ফিরতো একইভাবে। ৯ম শ্রেনীতে পড়া অবস্থায় মা বাবা বিয়ে ঠিক করলে সুমাইয়া প্রধান শিক্ষকের কাছে আশ্রয় নিলে তার আশ্বাসে ও সহায়তায় চলতি বছর এসএসসিতে অংশ নেয়। ফরম ফিলাপের টাকাও দেয় প্রধান শিক্ষক।

সুমাইয়ার জীবন সংগ্রাম ও কলেজের ভর্তির অনিশ্চয়তা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার সকালেই স্কুলটির প্রধান শিক্ষকের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে খোজখবর নেন চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী। প‌রে সুমাইয়ার বাড়িতে চীফ হুইপের নির্দেশে তার পক্ষ থেকে মিষ্টি নিয়ে যান জেলা পরিষদ সদস্য আয়শা সিদ্দিকা মুন্নী, প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সামসুল হকসহ প্রতিনিধি দল। এসময় সুমাইয়ার পরিবার আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা চীফ হুইপের এমন উদ্যোগে সাধুবাদ জানান।

অদম্য মেধাবী সুমাইয়া আক্তার কাদতে কাদতে বলেন, আমি সত্যিই অভিভূত। এমনদিন আমার পরিবারে আসবে ভাবতে পারিনি। চীফ হুইপ স্যার আমার লেখাপড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। তার ভাই ফোনে কথা বলেছেন। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

সুমাইয়ার মা তাসলিমা বেগম বলেন, আমাগো সংসার চালাইতেই কষ্ট হইতো। অন্যের দেয়া শাড়ী পইড়া জীবন কাটতো। মাইয়ারে পড়ানো দুঃস্বপ্ন ছিল। সব অনিশ্চয়তা কাইটা গেছে। মেয়েডা কলেজে পড়বো। আমাগো এমপির জন্য সব হইলো।

পাঁচ্চর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সামসুল হক বলেন, নিউজটা দেখে চীফ হুইপ মহোদয় আামকে দু’বার ফোন দিয়ে ওর সব জেনেছে। তাৎক্ষনিকভাবে ওর লেখাপড়া,আবাসনসহ সব ব্যাপারে অবগত হয়ে এর সুব্যবস্থা করেছেন। এরআগেও সে বহু অদম্য দরিদ্র মেধাবীদের পাশে দাড়িয়েছেন।

জেলা পরিষদ সদস্য আয়শা সিদ্দিকা মুন্নী বলেন, চীফ হুইপ মহোদয় সুমাইয়ার ভাল ফলাফলে খুশি হয়ে বাড়িতে আমাদের দিয়ে মিষ্টি পাঠিয়েছেন। কলেজে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন।এছাড়াও তার পরিবারের জন্য আশ্রায়ন প্রকল্পে ঘরের ব্যবস্থার নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়াও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পরিবারটিকে সেলাই মেশিন ও মেধাবীর জন্য মেধা বৃত্তির ঘোষনা দিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!