1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
কোরবানী। রাজৈরে গোল কাঠের কদর বেড়েছে - Madaripur Protidin
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকরা সমাজের আয়না: খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক

কোরবানী। রাজৈরে গোল কাঠের কদর বেড়েছে

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ১২.০১ পিএম
  • ৪৬০ জন পঠিত

টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি। কোরবানীর গরু কেনা শেষ। এবার আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম কেনাকাটার পালা। আর মাংস কাটার জন্য তেঁতুল গাছের গোল খন্ডের (গোল কাঠ) ব্যাপক কদর বেড়েছে। টেকেরহাট বন্দরসহ রাজৈর – মুকসুদপুর উপজেলার সর্বত্র হাটে বাজারে তেতুল গাছের গোল খন্ড নিয়ে বসেছে মৌসুমী ব্যবসায়িরা। তেতুল গাছ দিয়ে বানানো এ গোল কাঠের উপর রেখে বড় বড় মাংস পিন্ড খন্ড খন্ড বা টুকরা টুকরা করতে সহজ হয়। এ কারনে যারা পশু কোরবানী দেন, তাদের কাছে এ গোল কাঠের ব্যাপক চাহিদা। ঈদের আগে গ্রাম থেকে ব্যবসায়ীরা তেতুল গাছ কিনে এনে কাঠ চেরাই মিলে নিয়ে তা সাইজ করে কেটে আনে। পরে তা বাজারে বিক্রী করে।

টেকেরহাটে মাংস কাটার গোল কাঠ ব্যবসায়ী ওমর আলী জানান, প্রকার ভেদে প্রতিটি গোল কাঠের খন্ডের মূল্য ২০০ থেকে ৪০০ টাকা। গ্রাম এলাকায় এখন তেঁতুল গাছ আগের মতো পাওয়া যায় না। এজন্য প্রতি বছরই এই কাঠের দাম বাড়ছে। রাজৈর ও মুকসুদপুর উপজেলা থেকে তেতুল কাঠ প্রতিবছর কোরবানী ঈদের আগে দেশের বিভিন্ন এলাকাতেও চলে যায়। এক সময় এই উপজেলার প্রতিটি গ্রামে প্রচুর তেতুল গাছ ছিল। কিন্তু এর চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বিক্রি হতে হতে গ্রাম এলাকা থেকে এখন তেতুল গাছ প্রায় উধাও হয়ে গেছে। এখন নতুন করে আর কেউ তেতুল গাছ রোপনে উৎসাহিত হচ্ছেন না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!