1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
রাজধানীর পল্লবীতে মেট্রোরেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার, চোরাই মালামাল উদ্ধার - Madaripur Protidin
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকরা সমাজের আয়না: খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক

রাজধানীর পল্লবীতে মেট্রোরেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার, চোরাই মালামাল উদ্ধার

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৩.০৫ পিএম
  • ৬৬৬ জন পঠিত

রাজধানীর পল্লবী এলাকা হতে মেট্রো রেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ঃ চোরাইকৃত মালামালসহ একটি পিকআপ ও সিএনজি জব্দ।

অফিস রিপোর্টঃ গত ১৬ সেপ্টেম্বর মোঃ নাজমুল (১৮) তার মিরপুরের বাসা থেকে কাজের সন্ধানে যাওয়ার পর নিখোঁজ রয়েছে মর্মে পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর জানা যায় ডিএমপির তুরাগ থানাধীন একটি অসনাক্ত মৃতদেহ পাওয়া গেছে যা প্রায় ১ সাপ্তাহ পর নিখোঁজ ব্যক্তির পিতার মাধ্যমে শনাক্ত হয়। সে সংক্রান্তে তুরাগ থানায় একটি অপমৃত্য মামলা রুজু হয়। যার প্রেক্ষিতে র‌্যাবের একটি দল এটির ছায়াতদন্ত শুরু করে।
র‌্যাব জানায়, এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ সেপ্টেম্বর র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানীর পল্লবী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চোরাইকৃত বিভিন্ন মলামাল (আনুমানিক মূল্য ৫,০০,০০০/-টাকা), ০১ টি পিকআপ, ০১ টি সিএনজি, ০২ টি মোবাইলসহ সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের মোঃ আশিক (১৯), জেলাঃ গাজীপুর ও মোঃ হারুন (৪০), জেলাঃ ঢাকা। ২ জন সদস্য’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়ঃ

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, নিহত নাজমুল আশিক, রাসেল এবং শামীম একই সাথে কাজ করত। ৬ সেপ্টেম্বর রাসেল এবং শামীম নিহত নাজমুলকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে যায়। ঐ রাতে আশিক ও তাদের সাথে বরাবরের মতো চুরির কাজে যোগ দেয়। র‌্যাবের অভিযানকালে আরো জানা যায় এই চক্রটি বেশকিছু দিন ধরে মেট্রোরেলের মালামালসহ অন্যান্য সরকারী কাজের মালামাল এবং বৈদ্যুতিক তার চুরির কাজ করে আসছিল। র‌্যাবের অভিযানে আশিক (১৯) গ্রেফতার হলে উক্ত বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। প্রসঙ্গক্রমে আশিককে জিজ্ঞাসাবাদকালে নাজমুল এর মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে প্রাথমিক ভাবে জানা যায় উক্ত ঘটনার সংক্রান্তে রাসেল, শামীম এবং আশিকের উপস্থিতিতে নাজমুল বৈদ্যুতিক তার কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করে। এ সংক্রান্তে তুরাগ থানায় অপমৃত্যু মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। তারা আরোও জানায় যে, ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানাধীন এলাকায় পরষ্পরের যোগসাজসে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প ছাড়াও আরো গুরুত্বপূর্ন প্রকল্পের অপ্রয়োজনীয় লোহা, ইস্পাত, তার, মেশিন কৌশলে চুরির ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায় যে, তারা একটি বিশেষ সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সাথেও জড়িত। ধৃত আসামীরা পরস্পর যোগসাজোশে কিছুদিন যাবত ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প ছাড়াও আরো গুরুত্বপূর্ন প্রকল্পের অপ্রয়োজনীয় লোহা, ইস্পাত, তার, মেশিন কৌশলে চুরি করে খন্ড খন্ড করে কেটে তা বিভিন্ন ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় করে আসছিল।

অপরাধের কৌশলঃ

গত কয়েক বছর যাবত ঢাকাসহ আশপাশ জেলা সমূহে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিচালিত হয়ে আসছে। উক্ত প্রকল্প সমূহের কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরন স্তুপ আকারে থাকা কালে একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি দল সু-কৌশলে সুবিধা বুঝে সুযোগ মতো চুরি করে তাদের পছন্দ মতো গোপন একটি জায়গায় নিয়ে এসে সেগুলো’কে সহজে বহনযোগ্য করে বিভিন্ন ক্রেতাদের নিকট তা বিক্রয় করে থাকে। তাদের উক্ত চোরাই চক্রটি মূলত এই চুরির কাজটি নিম্নবর্ণিত ধাপে সম্পন্ন করে থাকেঃ
তথ্য প্রদানঃ

প্রথমে এই চোরাকারবারি চক্রটি সু-কৌশলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেই অনুযায়ী চুরির পরিকল্পনা করে থাকে।

সাহায্যকারী ব্যক্তিঃ

পরবর্তীতে চক্রটি প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন উপকরন সুবিধা বুঝে সুযোগ মতো চুরি করে তাদের পছন্দ মতো গোপন একটি জায়গায় নিয়ে লুকিয়ে রাখে।

দালাল (বিভিন্ন ধাপ)ঃ

এই ধাপে একটি গ্রুপ চোরাইকৃত উপকরন সমূহ পরিবর্তন পরিবর্ধন করে সহজে বহনযোগ্য করে থাকে। পরবর্তীতে উক্ত মালামাল সমূহ ক্রয় করে এরূপ ক্রেতাদের সাথে প্রথম ধাপের চোরাই দলের সাথে যোগাযোগ করে দেয়।

ইচ্ছুক ক্রেতাঃ

এই ধাপে মূলত চোরাইকৃত মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের কাজটি সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এতে চোরাই চক্রটি তাদের চোরাইকৃত পরিবর্তন ও পরিবর্ধনকৃত মালামাল তাদের পূর্বে থেকে নির্ধারিত ক্রেতাদের নিকট একটি নিদিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে বিক্রয় করে থাকে। চোরাই চক্রসহ অন্যান্য চক্রের আরও অনেক পলাতক আসামী রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উপরোক্ত বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতে এরূপ সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী দলসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে র‌্যাব-৪ এর জোড়ালো অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!