1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে জরিমানা করেও রোধ করা যাচ্ছে অতিরিক্ত দামে চার্জার ফ্যান বিক্রি - Madaripur Protidin
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাঁদে পড়ে নিহত-৩, আহত-৩০  মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী।

মাদারীপুরে জরিমানা করেও রোধ করা যাচ্ছে অতিরিক্ত দামে চার্জার ফ্যান বিক্রি

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩, ৩.২৭ পিএম
  • ৪৯৭ জন পঠিত

মাদারীপুর সংবাদদাতা॥
মাদারীপুরে তীব্র গরম আর লোডশেডিং-এ চাহিদা বাড়ায় তিন হাজার টাকার চার্জার ফ্যান এক লাফে ঠেকেছে সাড়ে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া চার্জার লাইট ও আইপিএস’এর দাম আকাশচুম্বী। বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদা মত পণ্য না পাওয়ায় বেড়েছে দাম। যদিও অভিযোগ পেলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুরের জাজিরা গ্রামের নজর আলী সরদারের ছেলে শান্ত হোসেন। শহরের পুরানবাজারের খান ইলেকট্রনিক্স-এর দোকান থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা দিয়ে কিনেন একটি চার্জার ফ্যান। তার অভিযোগ, সপ্তাহের ব্যবধানে ফ্যানের দাম বেড়েছে দুইগুন। শুধু শান্ত’ই নন। বাজারে চার্জার ফ্যান, লাইন ও আইপিএস কিনতে আসা অধিকাংশ ক্রেতাদের অভিযোগ এটি। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে লোডশেডিং, এই দুই কারনে চাহিদা বেড়েছে এসব পণ্যের। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে দুই থেকে আড়াইগুন, আবার কোথায়ও দাম নেয়া হচ্ছে তিনগুন। এজন্য সিন্ডিকেটকেই দায়ী করছেন ক্রেতারা।

জানা যায়, জেলার ৫টি উপজেলায় ছোটবড় মিলিয়ে তিন শতাধিক ইলেকট্রনিক্স দোকানে বিক্রি করা হয় চার্জার ফ্যান, চার্জার লাইট ও আইপিএস। গত দুই মাসে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন দোকানীকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এদিকে বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদা বেশি থাকায় দেখা দিয়েছে পণ্যের সংকট, তাই বেড়েছে দাম। অবশ্য, ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত মাঠে চলছে অভিযান।

কয়েকজন ক্রেতা বলেন, এক সপ্তাহ আগে যে ফ্যানের দাম ছিল আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। সেই ফ্যান এখন বিক্রি হচ্ছে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে এই দাম বাড়িয়েছে। এটার প্রতিকার হওয়া দরকার।

শহরের পুরানবাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, হঠাৎ কয়েকদিন ধরে চার্জার ফ্যানের চাহিদা বেড়েছে। তাই রাজধানী ঢাকার পাইকারী মার্কেটেও সংকট দেখা দিয়েছে এই ফ্যানের। এতে বাড়তি দামে ফ্যান কিনে, বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। ঢাকা থেকে দাম কমালে, জেলা শহরেও এমনিতেই দাম কমে যাবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জরিমানাও আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছে। শুধুমাত্র একজন জনবল দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে রোধ করা সম্ভব না। এটা রোধ করা এখন কঠিন কাজ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!