1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
ঢাকার সাভারের জয়নাবাড়ী ক্লুলেস অজ্ঞাতনামা নারী (২১) হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন। মূলহোতা রিপনকে গ্রেফতার - Madaripur Protidin
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাঁদে পড়ে নিহত-৩, আহত-৩০  মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী।

ঢাকার সাভারের জয়নাবাড়ী ক্লুলেস অজ্ঞাতনামা নারী (২১) হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন। মূলহোতা রিপনকে গ্রেফতার

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৭ জুন, ২০২৩, ১.০৯ পিএম
  • ৫০৮ জন পঠিত

অফিস রিপোর্টঃ ঢাকা জেলার সাভারের জয়নাবাড়ী এলাকার চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস অজ্ঞাতনামা নারী (২১) হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন পূর্বক মূলহোতা রিপনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

র‌্যাব জানায়, র‌্যাব-৪ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি খুন, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই চক্রের সাথে জড়িত বিভিন্ন সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গত ০২ জুন ২০২৩ তারিখে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন জয়নাবাড়ী এলাকার বহুতল ভবনের পাশ হতে চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয় ও ১৫ জুন ২০২৩ তারিখে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে লাকী খাতুন (২১) হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনপূর্বক হত্যাকান্ডে মূলহোতা মোঃ রিপন হোসেন (২৮), জেলা-শরীয়তপুর’কে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।

গত ২ জুন ২০২৩ তারিখ সকালে ঢাকা জেলার সাভারের জয়নাবাড়ী এলাকার বহুতল ভবনের পাশে কলা গাছের সাথে একটি অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ পুলিশ ও র‌্যাবকে অবহিত করলে থানা পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব-৪ এর একটি অভিযানিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশটি সনাক্ত ও ঘটনার মুল রহস্য উদঘাটনের জন্য ছায়া তদন্ত শুরু করে। অজ্ঞাতনামা মহিলার মুখ মন্ডল বিকৃত ও হাত-পাতা থেতলানো হওয়ার কারণে তৎক্ষণিকভাবে লাশটি সনাক্ত করা যায়নি। পরবর্তীতে সাভার থানায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে র‌্যাব-৪ উক্ত হত্যার রহস্য উদঘাটন ও অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনতে তৎক্ষণাৎ গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, বেশ কিছু দিন ধরে সাভারের ব্যাংক টাউন এলাকার লাকী বেগম নামে এক নারীর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না যার সূত্র ধরে জানা যায় যে, রিপন নামে এক ব্যক্তির সাথে ঐ নারীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠে এবং তারা মাঝে মধ্যে একে অপরের সাথে দেখা করতো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী রিপন পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার। বিগত ২০ বছর যাবত ঢাকার সাভার, হেমায়েতপুর এলাকায় স্ত্রী-সন্তানসহ ট্রাক ড্রাইভার হিসেবে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে সাভারের জয়নাবাড়ী এলাকার ছয় তলা বিশিষ্ট ভবনে ভাড়া বাসায় থাকতো। বিগত ০৯ মাস পূর্বে রিপনের স্ত্রী তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত চিন্তা করে মহিলা শ্রমিক হিসেবে দুবাইয়ে গমন করলে রিপন তার সন্তাদের নিজ জেলা শরীয়তপুরে শ্বশুর বাড়ীতে রেখে আসে এবং ভাড়া বাসাটি ছেড়ে দিয়ে তার মায়ের বাসায় বসবাস করেন। পরবর্তীতে রিপন ভিকটিম লাকী খাতুনের সাথে পরিচয় হয় এবং এক পর্যায়ে তারা প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কে গড়ায়।

গত ৩১ মে রাতে রিপনের সাথে দেখা করার জন্য ভিকটিম সাভারে রিপনের বন্ধুর ফ্লাটের আসে এবং রাত্রী যাপন করে। সে রাতে রিপন মাদকাসক্ত হওয়ায় ভিকটিম লাকী ও রিপনের মাঝে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। পরবর্তীতে গত ১ জুন সকালে পুনরায় তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হলে রিপন নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিম লাকী খাতুনকে গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর রিপন ঐ ফ্লাট হতে বের হয়ে লাশ গুম করার জন্য সে ভবনের ছাদ থেকে পাশ্ববর্তী খালি জায়গায় কলা বাগানে ফেলে দেয়ার পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনা মোতাবেক সে ভিকটিমের লাশটি কাধে করে ছাদে নিয়ে ছাদ হতে কলাবাগানে ফেলে দেয় এবং সে স্থান হতে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে সে শ্বশুর বাড়ি হয়ে তার ছোট বোনের বাড়ী মাগুড়ায় চলে এবং সেখান থেকে আবারও ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরে বজ্রাপুর গ্রামে তার নিকট আত্মীয় বাসায় আত্মগোপন করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!