1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে দর-কষাকষি করে ঘুষ লেনদেন: অবশেষে অভিযুক্ত দুই রাজস্ব কর্মকর্তা প্রত্যাহার - Madaripur Protidin
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকরা সমাজের আয়না: খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক

মাদারীপুরে দর-কষাকষি করে ঘুষ লেনদেন: অবশেষে অভিযুক্ত দুই রাজস্ব কর্মকর্তা প্রত্যাহার

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৩, ৭.০৪ পিএম
  • ৬২৫ জন পঠিত

টেকেরহাট (মাদারীপুর) সংবাদাতা:
কাস্টমস্ ও এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ মাদারীপুর সার্কেল অফিসের দুই রাজস্ব কর্মকর্তার
ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অভিযুক্ত
দুই কর্মকর্তাকেই স্ট্যান্ড রিলিজ করেছে খুলনার ভ্যাট কমিশন। মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন।

খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের কমিশনারের বরাত দিয়ে জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন জানান, গত ২৯ ডিসেম্বর বিকেলে ১০ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফাঁস হয় সেখানে দেখা যায়, কাস্টমস্ ও এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ মাদারীপুর সার্কেল অফিসের রাজস্ব কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও ইমরান কবীর অফিস কক্ষে বসে ঘুষের টাকা গ্রহণ করছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ায় পুরো জেলাজুড়ে সমলোচনার ঝড় ওঠে। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রচার হয় দৈনিক ইত্তেফাকসহ একাধিক গণমাধ্যমে। পরে বিষয়টি নজরে আসলে ২ জানুয়ারী বিকেলে খুলনার ভ্যাট কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার মু. সফিউজ্জামান অভিযুক্ত দুইজনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের কমিশনানের কার্যালয় সংযুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুর সার্কেল অফিসকে পত্রটি দেয়া হলে তারা খুলনায় চলে যান। অভিযুক্ত দুই জনকেই খুলনা অফিসে সংযুক্ত করে অফিসিয়াল তদন্তও করবে ভ্যাট কমিশন।

ভূক্তভোগি শহিদুল ইসলাম লিখন বলেন, ‘৫০০ টাকার কয়েকটি নোট দেয়ার পরে তা গুনে পকেটে ভরে রফিকুল ইসলাম। আর পাশে বসে ছিলেন ইমরান কবীর। দুই রাজস্ব কর্মকর্তা ঘুসের টাকার জন্যে দর-কষাকষি করেছে। এমন কি চাহিদা মত প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আরো দুই হাজার টাকা মাসোহারা চাইছেন। এটা খুবই দুঃখজনক। পরে

আমি ও আমার বন্ধু অমিত হোসেন গণমাধ্যমে বিয়ষটি জানিয়ে দেই। এতেও বিভিন্ন
মহল থেকে আমাদের উপর চাপ এসেছে।’ লিখন আরো বলেন, ‘শুনেছি, তাদের বদলি হয়েছে। এতে তো দোষীর কোন বিচার হলো না। বরং মাদারীপুর জেলার ছেয়ে বড় জেলা খুলনায় বদলী হলো। সেখানে রেখে তাদের তদন্ত হলে প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই তাদের চাকুরী থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত করলে আমাদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লাভবান হবো। স্ট্যান্ড রিলিজ কোন সমাধান হতে পারে না, দোষীরা বিচারের মুখোমুখি হোক, এটাই চাই।’
তবে কাস্টমস্ ও এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ মাদারীপুর সার্কেল অফিসের বিভাগীয়
কর্মকর্তা ও ডেপুটি কমিশনার মো. এনামুল হককে মঙ্গলবার দুপুরে তার অফিসে
গিয়েও পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহারিত মুঠোফোনে (০১৯১১৬৯২৯৬৬) একাধিকার ফোন
করলেও রিসিভ করেনি। ক্ষুদে বার্তা দিলেও কোন উত্তর আসেনি।

এদিকে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও বিভাগীয় মামলা করা হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!