1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
ঢাকার আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী ফারুককে রংপুরের পীরগাছায় গ্রেফতার - Madaripur Protidin
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপুজা: রাজৈরে পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্যসহ জেলা প্রশাসন বাংলাদেশকে আর কোন আধিপত্য শক্তির আওতায় আসতে দিবে না জনগণ- মাদারীপুরে এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: জাহান্দার আলী মিয়া এমপি। মাদারীপুরে ডিবির অভিযানে ৭ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার রাজৈরে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোরী নিহত, আহত ২ রাজৈরে দুঃস্থ   পরিবারকে আধাপাকা ঘর নির্মান করে দিচ্ছে  গাংকান্দি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন রাজৈরে ৮কেজি গাজাসহ যুবক গ্রেপ্তার মাদারীপুরের টেকেরহাটে আধুনিক মানের  প্রাইভেট হসপিটালের উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া।  মাদারীপুরের কালকিনিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ

ঢাকার আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী ফারুককে রংপুরের পীরগাছায় গ্রেফতার

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩, ৪.০৪ পিএম
  • ৫৯১ জন পঠিত

অফিস রিপোর্টঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী ফারুককে রংপুরের পীরগাছা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৪ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি খুন, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব সদরদপ্তররের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-৪ ও র‌্যাব-১৩ এর যৌথ আভিযানিক দল ঢাকা জেলার আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী ফারুককে রংপুরের পীরগাছা থেকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।

র‌্যাব জানায়, গত ২০ জুন দুপুরে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার গাজীরচট নয়াপাড়া এলাকায় পঞ্চম তলার ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে পোশাকশ্রমিক শিমু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং এ বিষয়ে ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ হতে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলার রুজু করা হয় যার প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৪ ছায়া তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, শিমু আক্তার গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার মোগন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ০৬ বছর পূর্বে আসামী মোঃ ফারুক হোসেনের সাথে তার পারিবারিকভাবে বিবাহ হয় এবং বৈবাহিক জীবনে তাদের ০৪ (চার) বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তারা দুজনেই আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকার একটি গার্মেন্টসে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিগত ১০-১৫ দিন আগে গ্রামের বাড়িতে শিমুর সঙ্গে তার স্বামী ফারুকের বাকবিত-া হলে তাকে গলাটিপে ধরে নির্যাতন করা হয়েছিলো বলেও জানা যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম ও তার স্বামী ঢাকা জেলার আশুলিয়ার গাজীরচট নয়াপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় উঠে এবং পাশেই আরেকটি বাড়িতে ভিকটিমের বড় বোন লাবনী আক্তার ভাড়া থাকতো। গত ১৯ জুন ২০২৩ তারিখ রাতে ভিকটিমের বড় বোনের বাসায় রাতের খাবারশেষে ভিকটিম ও তার স্বামী ফারুক তাদের নিজ বাসায় চলে যায়। পরের দিন সকাল ভিকটিমের বড় বোন কর্মস্থলে একইসাথে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভিকটিমকে ডাকার জন্য তাদের দারজার সামনে এলে উক্ত বাসার দরজা বাহির হতে লাগানো অবস্থায় দেখতে পায়। তখন ভিকটিমের বড় বোন ডাকা-ডাকি করলেও তাদের কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে এক পর্যায়ে ভিকটিমের বড় বোন লাবনী আক্তার ঐ বাসার দরজা খুলে রুমের ভিতর প্রবেশ করলে ভিকটিমকে গলা কাটা রক্তাক্ত মৃতদেহটি ওড়না দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পায়।উক্ত ঘটনাটি দেশের সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকস্ মিডিয়াসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয় যার প্রেক্ষিতে র‌্যাব উক্ত হত্যাকান্ডের আসামী গ্রেফতারে ছায়াতদন্ত শুরু করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ফারুক হোসেন জানায় যে, ভিকটিমের সাথে তার পারিবারিক কলহের জেরে ধস্তাধস্তির এক পযায়ে ফারুক ক্ষিপ্ত হয়ে পিছন দিক হতে হাতের কাছে থাকা ছুড়ি দিয়ে ভিকটিম’কে গলায় ছুরিকাঘাত করে এবং ভিকটিমের গলা প্রায় দ্বি-খন্ডিত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর লাশটি বাথরুমে ওড়না দিয়ে ডেকে ০৪ বছরের ছোট সন্তানসহ অন্যত্র আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে পলায়ন করে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!