1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে ফল ব্যবসায়িকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন, ১৯ জন খালাস - Madaripur Protidin
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকরা সমাজের আয়না: খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক

মাদারীপুরে ফল ব্যবসায়িকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন, ১৯ জন খালাস

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৫, ৯.৩০ পিএম
  • ৫১০ জন পঠিত

টেকেরহাট (মাদারীপুর) সংবাদদাতা ॥
মাদারীপুরের রাজৈরের ২০১৫ সালে একটি চাঁদাবাজির মামলার সাক্ষি হওয়ায় ফল ব্যবসায়ি বাবুল হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। দোষ প্রমান না হওয়ায় ১৯ আসাসিকে খালাস দেয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে মাদারীপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারত নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এই রায় দেন। রায়ে ক্ষুব্ধ হওয়ায় উচ্চ আদালতে যাবার কথা জানিয়েছে বাদী ও আসামিপক্ষ।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, একটি চাঁদাবাজি মামলায় সাক্ষি করা হয় মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর ইউনিয়নের শাখারপাড় গ্রামের ফল ব্যবসায়ি বাবুল হাওলাদারকে। এরই জেরে ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি ফল ব্যবসায়ি বাবুলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার দুইদিন পর ৬ জানুয়ারি ৪২ জনের নামে রাজৈর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বড়ছেলে ইমরান হাওলাদার। মামলা দায়েরের পর ইমরানকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখায় আসামিপক্ষ। পরে সে বিদেশ চলে যায়। এরপর উচ্চ আদালদের নির্দেশে মামলা পরিচালানার দায়িত্ব পায় নিহতের ছোটছেলে আসাদুল হাওলাদার। সর্বশেষ তৃতীয় দফায় ২০১৬ সালের ২৪ মে, ২৪ জনের নামে আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সহকারি পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান ফকির। মামলা চলাকালীন সময়ে চার্জশিটভুক্ত তিন আসামির মৃত্যুও হয়। এরপর যুক্তিতর্ক, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও ১২ জনের সাক্ষ্য নেয় আদালত। বুধবার বিকেলে সাহেবালী মুন্সি, খোকন মুন্সি, সাহাবুদ্দিন মুন্সি, লাবলু মুন্সি ও হান্নান মুন্সি এই ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন আদালত। একইসাথে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়। জরিমানার অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে আরো এক বছর করে কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়। এছাড়া দোষ প্রমান না হওয়ায় বাকি আসামিদের খালাস দেয়া হয়েছে। মামলার রায়ের সময় হান্নান মুন্সি ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কড়া নিরাপত্তায় জেল হাজতে পাঠানো হয়। এদিকে রায়ে ক্ষুব্ধ হওয়ায় উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছে উভয়পক্ষ।

নিহতের ছোটছেলে আসাদুল হাওলাদার বলেন, ‘আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে আসামিরা। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট হইনি। রায়ের কপি সংগ্রহ করে উচ্চ আদালতে যাবো। আমার বাবা একটি চাঁদাবাজি মামলার সাক্ষি হওয়ায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে আসামিরা। আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায় বিচার পাবো বলে প্রত্যাশা করছি।’

আসামিপক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট ফয়জুর রহমান হিরু বলেন, ‘আসামিরা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত, এমন কিছুই প্রমান হয়নি। ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছে এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমরা এই আপিল করবো।’

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!