1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
লামায় মুবিন খুনের রহস্য স্বল্পতম সময়ে উদ্ঘাটন, জড়িত প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫ - Madaripur Protidin
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত

লামায় মুবিন খুনের রহস্য স্বল্পতম সময়ে উদ্ঘাটন, জড়িত প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১, ২.৩৬ পিএম
  • ৬৯৮ জন পঠিত

অফিস রিপোর্টঃ লামায় বর্বরোচিত মুবিন খুনের মূল রহস্য স্বল্পতম সময়ের মধ্যে উদ্ঘাটন, জড়িত প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫।

র‌্যাব জানায়, গত ২১ মে লামা থানাধীন ফাইতং ইউনিয়নের অলিকাটা নামক স্থানে পাহাড়ের ঢালে স্থানীয় সাবেক আবু মেম্বারের লেবুর বাগানের পাশে অর্ধগলিত লাশের সন্ধান মিলে। কিন্তু কে বা কারা এই হত্যাকান্ড সংঘটিত করেছে তা সবার অজানা।

পরবর্তীতে জানায় যায়, অর্ধগলিত লাশটি মুবিন (১৬), পিতা-নূরুল আলম, সাং-বড়ইতলী, মাইজপাড়া, ৩নং ওয়ার্ড, থানা-লামা, জেলা-কক্সবাজার। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যাকান্ডটি আনুমানিক ০৪ (চার) দিন পূর্বে সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। এমতাবস্থায় কেইসটি তদন্তের জন্য কোন ধরণের সূত্রই পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু র‌্যাব-১৫ এর চৌকস আভিযানিক দলটি উক্ত মার্ডারটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে এবং তদন্ত চলাকালীন জানা যায় -ইতোপূর্বে একই রকম অনেক ঘটনা ঘটছে, যেখানে দূষ্কৃতকারীরা ছিনতাই করে হত্যার পর মটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৫ দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামী আব্দুল্লাহ (১৬), পিতা-আব্দুর রশিদ, মাতা- নূর জাহান বেগম, সাং-হারবাং, নোনাছড়ি, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সবাজারকে ২৫মে চট্টগ্রাম বাকলিয়া থানা এলাকা হতে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আব্দুল্লাহ তথ্য দেয় যে, সে তার সহযোগী আসামী (২) কায়সার (১৮), পিতা- আব্দুর রহিম এবং (৩) আব্দুর রহিম (১৮), পিতা-ইলিয়াস, উভয় সাং- হারবাং, নোনাছড়ি, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সবাজারগণ ভিকটিম মুবিনকে হত্যা করে তার মালিকাধীন মটর সাইকেল ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ১৮মে আছরের নামাজের পর চকরিয়া থানাস্থ নোনাছড়ি সুইচ গেইট নামক স্থানে পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার ওইদিন মাগরিবের নামাজের পর আসামী আব্দুল্লাহ, কায়সার ও আব্দুর রহিম হারবাং নোনাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা আসামী কায়সারের বোনের চা দোকানে একত্রিত হয়ে মুবিনকে হত্যা করে তার মটরসাইকেল ছিনতাই এর চুড়ান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং আসামী কায়সার এই উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে তার বোনের দোকান থেকে একটি স্টিলের চাকু সংগ্রহ করে। একই তারিখ রাত অনুমান ২১.৩০ ঘটিকার সময় আসামীরা তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের পূর্ব পরিচিত মটরসাইকেল চালক মুবিনকে তার ভাড়ায় চালিত মটরসাইকেল নিয়ে ফাইতং, লামা, বান্দরবান এর একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তাকে নোনাছড়ি সুইচ গেইট আসতে বলে। ভিকটিম মুবিন তাদের কথামতে তার মটরসাইকেলটি নিয়ে রাত অনুমান ২১.৪০ ঘটিকার সময় নোনাছড়ি সুইচ গেইট আসে এবং আব্দুল্লাহ, কায়সার ও আব্দুর রহিম এবং ভিকটিম মুবিনসহ মোট ০৪ (চার) জন মটরসাইকেলে করে ফাইতং যাওয়ার উদ্দেশ্যে বড়ইতলী টু চিউবতলী রোডে অলিকাটা নামক স্থানে পৌঁছায়।

তখন আব্দুর রহিম সু-কৌশলে প্রসাব করার জন্য মুবিনকে মটরসাইকেল থামাতে বলে। মুবিন মটরসাইকেল থামালে আব্দুর রহিম প্রসাব করে এসে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনজন মিলে ভিকটিম মুবিনকে মটরসাইকেল থেকে টেনে হিছড়ে গলায় চেপে ধরে রাস্তার পাশে মাটিতে শোয়াইয়া ফেলে এবং নৃশংসতম হত্যার উদ্দেশ্যে চাকু দিয়ে বারংবার ভিকটিমের গলায় পোচ দিতে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য স্ক্রু ড্রাইভারের সাহায্যে অন্ডকোষসহ শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে জখম করতে থাকে। তারপরও মৃত্যুর ব্যাপারে সন্ধিহান হলে নিকটস্থ পাহাড় থেকে ভিকটিমকে ছুড়ে ফেলা হয়।

আটককৃত আসামী আব্দুল্লাহকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বান্দরবান জেলার লামা থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীণ। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!