1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে প্রেমিকাকে হত্যা মামলায় ১৪ বছর পর প্রেমিকের ফাঁসির আদেশ - Madaripur Protidin
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরের কালকিনিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ শেখ হাসিনাকে দেশে আসলেই গ্রেফতার হবেন – মাদারীপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মাদারীপুরে বিল থেকে বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাঁদে পড়ে নিহত-৩, আহত-৩০  মাদারীপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত সরকারের বিরোধীতা করলে জণগনের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে- এনসিপি-জামায়াত ইসলামের উদ্দ্যেশে এমপি খোকন তালুকদার রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত ১০জন রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু  লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা

মাদারীপুরে প্রেমিকাকে হত্যা মামলায় ১৪ বছর পর প্রেমিকের ফাঁসির আদেশ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২, ৫.৩৭ পিএম
  • ৮৫২ জন পঠিত

টেকেরহাট (মাদারীপুর) সংবাদদাতা:
মাদারীপুরে ২০০৮ সালে ডেকে নিয়ে প্রেমিকাকে শ^াসরোধ করে হত্যা মামলায় ১৪ বছর পর শহিদুল মোল্লা নামে এক প্রেমিককে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়র জজ আদালত (প্রথম আদালদত) লায়লাতুল ফেরদৌস এ রায় দেন। একইসাথে শহিদুল মোল্লাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছেন আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত শহিদুল সদর উপজেলার ব্রাহ্মনদি এলাকার মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে। অপরদিকে প্রেমিকা ফরিদা আক্তার (২২) সদর উপজেলার মহিষেরচর এলাকার করিম ক্কারীর মেয়ে।

মামলার বিবরনে জানা যায়, ২০০৮ সালের ০৬ মে প্রেমের সম্পর্কের জেরে প্রেমিক শহিদুল ঘুরতে বের হয় প্রেমিকা ফরিদাকে নিয়ে। পরে কালকিনি উপজেলার (বর্তমানে ডাসার উপজেলা) ধুয়াসার এলাকায় নিয়ে বিয়ের আশ^াস দিয়ে শারিরিক সম্পর্কের পর শ^াসরোধ করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় শহিদুল। পরদিন নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। ওইদিনই ফরিদার বড়ভাই হান্নান ক্কারী বাদী হয়ে কালকিনি থানায় শহিদুল মোল্লাকে একমাত্র আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তৎকালীন কালকিনি থানার এসআই হারুণ অর রশীদ শহিদুলকে অভিযুক্ত করে ২০০৯ সালের ২২ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই সময় ২০ জনকে সাক্ষিকে সাক্ষ্য দেয়ার আবেদনও করেন। পরে বিভিন্ন যুক্তি-তর্ক শেষে ১২ জন্য সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামী শহিদুলকে ফাঁসির আদেশ দেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেন।

মাদারীপুর আদালতের পিপি এ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান সিং জানান, ঘটনার ১১ বছর ৪ মাস পলাতক ছিল আসামী শহিদুল মোল্লা। পরে ২০১৯ সালে গ্রেফতার হয় সে। এই হত্যা মামলার রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। দ্রুত রায় কার্যকরে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হবে।

অপরদিকে রায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আসামীপক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট রেজাউল করিম জানান, রায়ের ব্যাপারে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। এই হত্যাকান্ডে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কিংবা সাক্ষীরা সঠিকভাবে আদালতে প্রমান দিতে পারেনি। আসামীপক্ষ রায়ে অসন্তোষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!