1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মৃত্যুর পর মিশর থেকে বকেয়া টাকা ফেরত আনলো মাদারীপুর পুলিশ - Madaripur Protidin
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকেরহাটে মোবাইল ছিনতাইকারিকে ধরতে গিয়ে মারা গেল মৃজন মতুব্বর শারদীয় দুর্গাপুজা: রাজৈরে পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্যসহ জেলা প্রশাসন বাংলাদেশকে আর কোন আধিপত্য শক্তির আওতায় আসতে দিবে না জনগণ- মাদারীপুরে এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: জাহান্দার আলী মিয়া এমপি। মাদারীপুরে ডিবির অভিযানে ৭ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার রাজৈরে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোরী নিহত, আহত ২ রাজৈরে দুঃস্থ   পরিবারকে আধাপাকা ঘর নির্মান করে দিচ্ছে  গাংকান্দি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন রাজৈরে ৮কেজি গাজাসহ যুবক গ্রেপ্তার মাদারীপুরের টেকেরহাটে আধুনিক মানের  প্রাইভেট হসপিটালের উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া। 

মৃত্যুর পর মিশর থেকে বকেয়া টাকা ফেরত আনলো মাদারীপুর পুলিশ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩, ৪.২৯ পিএম
  • ৫৬১ জন পঠিত

মাদারীপুর  সংবাদদাতা।
মিশরে একটি গার্মেন্টসে কাজ করা অবস্থায় হৃদযন্ত্র ক্রীয়া বন্ধ হয়ে মারা যায় মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মো. বিল্লাল আকন। সেখানে কর্মরত অবস্থায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা বকেয়া ছিল বিল্লালের। অবশেষে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে ফেরত পান বকেয়া টাকা। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে বিল্লালের পরিবারের কাছে অর্থ বুঝিয়ে দেয়া হয়। এসময় জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নিহতের পরিবার।

পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম খান বলেন, ১২ বছর যাবত মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার চরবাচামারা গ্রামের মৃত মোতালেব আকনের ছেলে মো. বিল্লাল আকন মিশরের একটি গার্মেন্টসে কাজ করেছে। তবে গেলো বছরের ১ মে কাজ করা অবস্থায় মারা যায় তিনি। পরে তাকে দেশে এনে পারিবারিকভাবে দাফন করা হয়। এতে বিল্লালের পরিবার অসহায় হয়ে পড়ে। পরে ব্যক্তিগতভাবে আমি মিশরে বাংলাদেশী পুলিশের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয় ওই কোম্পানীতে। এতে দীর্ঘ আলোচনা আর চিঠি চালাচালির পর তারা বিল্লালের বকেয়া ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দেন। সেই টাকা বিল্লালের বৈধ ওয়ারিশ হিসেবে তার মা, স্ত্রী ও এক শিশু কন্যাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। টাকা পেয়ে কিছুটা হলেও পরিবার ভালো থাকতে পারবে।

এসপি আরো বলেন, ‘এই দায়িত্ব শুধু পুলিশ হিসেবে নয়, ব্যক্তিগতভাবেও অসহায় পরিবারের পাশে দাড়িয়েছি। এসময় বিল্লালের মা মুক্তি বেগমকে ৭০ হাজার, স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে ৫০ হাজার ও নাবালিকা মেয়ে আছিয়া আক্তার ২ লাখ ১৫ হাজার ৫০০ ফিক্সড ডিপোজিট করে দেয়া হয়। মেয়ের টাকা ১৮ বছর পূর্ন না হওয়ার আগে তুলতে পারবে না।’

টাকা পেয়ে বিল্লালের মা মুক্তা বেগম বলেন, ‘আমার পোলাকে তো আর ফেরত পাবো না। আমরা ভাবছিলাম আর টাকা পয়সা পাবো না। কিন্তু পুলিশ আমাদের দিকে তাকানোর কারণে টাকা পাইলাম। তাদের জন্যে অনেক দোয়া, তাদেরও যেন আল্লাহ সুখে-শান্তিতে রাখে। এই টাকা দিয়ে রমজান মাসে কিছু কিনে খেতে পারবো।’
বিল্লালের স্ত্রী সেলিনা আক্তার বলেন, ‘পুলিশ সুপার স্যার যেভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছে, তার ঋণ কোন দিনই শোধ করতে পারবো না। যে টাকাই পাইছি সবই তার জন্যে। আমার মৃত্যুর আগ দিন পর্যন্ত তার জন্যে দোয়া রইল। এখন আমার নাবালক মেয়ের একটা ব্যবস্থা হইলো। যে টাকা পেয়েছি, তা দিয়ে মেয়েকে চালাতে পারবো। জেলা পুলিশের শিবচর থানাও আমাদের উপকার করেছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!