1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
হত্যা মামলায় মূল আসামিদের নাম বাদ দিয়ে পুলিশের প্রতিবেদন - Madaripur Protidin
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকরা সমাজের আয়না: খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক

হত্যা মামলায় মূল আসামিদের নাম বাদ দিয়ে পুলিশের প্রতিবেদন

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০২৩, ৬.৩১ পিএম
  • ৪৪৯ জন পঠিত

মাদারীপুর সংবাদদাতা।
মাদারীপুরের শিবচরে আলোচিত কালাম ঘরামি হত্যা মামলায় মূল আসামিদের বাদ দিয়ে পুলিশ আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুর শহরের একটি সংবাদিক সংগঠনে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন নিহত কামাল ঘরামির বাবা ও মামলার বাদী নুরু ঘরামি। এ ঘটনায় তিনি বিচার বিভাগের কাছে তদন্ত করার দাবি জানান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৩ মে শিবচর উপজেলার বড় কেশবপুর আরশেদ তালুকদারকান্দি এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ডেকে নিয়ে কালাম ঘরামি (২৯) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় পরের দিন নিহতের বাবা নুরু ঘরামি বাদী হয়ে শিবচর থানায় নিহতের চাচাতো ভাই লাকু ঘরামি, ভাতিজা বাচ্চু ঘরামিসহ ৯ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলায় দায়ের করেন। পরে এই মামলায় শিবচর থানার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সঞ্জিব জোয়ার্দার ওই বছর ২৬ অক্টোবর আদালতে ইউনূস ঘরামি, লিটন ঘরামি, বাকের ঘরামি, টুকু ঘরামি, লোকমান ঘরামিকে অব্যাহতি দিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এই তদন্ত প্রতিবেদনের বিপক্ষে বাদী নুরু ঘরামি নারাজীর আবেদন করেন।

পরে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্ততের জন্য গোপালগঞ্জের পিবিআইকে নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে পিবিআই মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ২ নভেম্বর মামলার ওই পাঁচ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেখানেও বাদী নুরু ঘরামি নারাজীর আবেদন করলে আদালত সিআইডি পুলিশের কাছে পূণরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে সিআইডি মামলাটিকে নতুন করে তদন্ত শুরু করে।

মাদারীপুর সিআইডির পরিদর্শক রবীন্দ্রনাথ তরফদার নিহত কালাম ঘরামিকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ কাঁঠাল গাছের সঙ্গে ঝুঁলিয়ে রাখা হয় উল্লেখ করে মামলায় টুকু ঘরামি, আবু তাহের ঘরামি, বারেক ঘরামি, ইউনুস ঘরামি ও লোকমান ঘরামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। একই সঙ্গে লাকু ঘরামি, হারুণ ঘরামি, দেলোয়ার ঘরামি ও বাচ্চু ঘরামিকে অভিযুক্ত করে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সিআইডি পুলিশের তদন্তেও মামলার বাদী নুরু ঘরামি মূল আসামিদের বাদ দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নুরু ঘরামি (৬৩) বলেন, ‘আমার বড় ছেলে কালাম ঘরামির হত্যার সঙ্গে আমার ভাতিজা টুকু ঘরামি, আবু তাহের ঘরামি, বারেক ঘরামি, লোকমান ঘরামি ও আপন ভাই ইউনুস ঘরামি জড়িত। অথচ সিআইডি পুলিশ তাদের বাদ দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এখানে সিআইডি পুলিশ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে অর্থের বিনিময়ে মূল আসামিদের অব্যাহতি দিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার বিভাগের কাছে তদন্তের দাবি জানাই।

অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে সিআইডির পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ তরফদার বলেন, ‘এই হত্যা মামলাটির আগেও দুবার তদন্ত হয়েছে। আমরাও যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত করেছি। এখানে বাদীর মনমতো না হওয়ায় তিনি বারবার নারাজি দিচ্ছেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও দিচ্ছেন। এখানে আমাদের কোন ভুল নেই। একটি হত্যা মামলায় ইচ্ছেমত কাউকে অভিযুক্ত করা যায় না। হত্যার সঙ্গে মূলত যারা জড়িত তাদেরই আমরা চার্জশিটে রেখেছি।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!