1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে জরিমানা করেও রোধ করা যাচ্ছে অতিরিক্ত দামে চার্জার ফ্যান বিক্রি - Madaripur Protidin
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকরা সমাজের আয়না: খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক

মাদারীপুরে জরিমানা করেও রোধ করা যাচ্ছে অতিরিক্ত দামে চার্জার ফ্যান বিক্রি

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩, ৩.২৭ পিএম
  • ৪৮০ জন পঠিত

মাদারীপুর সংবাদদাতা॥
মাদারীপুরে তীব্র গরম আর লোডশেডিং-এ চাহিদা বাড়ায় তিন হাজার টাকার চার্জার ফ্যান এক লাফে ঠেকেছে সাড়ে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া চার্জার লাইট ও আইপিএস’এর দাম আকাশচুম্বী। বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদা মত পণ্য না পাওয়ায় বেড়েছে দাম। যদিও অভিযোগ পেলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুরের জাজিরা গ্রামের নজর আলী সরদারের ছেলে শান্ত হোসেন। শহরের পুরানবাজারের খান ইলেকট্রনিক্স-এর দোকান থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা দিয়ে কিনেন একটি চার্জার ফ্যান। তার অভিযোগ, সপ্তাহের ব্যবধানে ফ্যানের দাম বেড়েছে দুইগুন। শুধু শান্ত’ই নন। বাজারে চার্জার ফ্যান, লাইন ও আইপিএস কিনতে আসা অধিকাংশ ক্রেতাদের অভিযোগ এটি। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে লোডশেডিং, এই দুই কারনে চাহিদা বেড়েছে এসব পণ্যের। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে দুই থেকে আড়াইগুন, আবার কোথায়ও দাম নেয়া হচ্ছে তিনগুন। এজন্য সিন্ডিকেটকেই দায়ী করছেন ক্রেতারা।

জানা যায়, জেলার ৫টি উপজেলায় ছোটবড় মিলিয়ে তিন শতাধিক ইলেকট্রনিক্স দোকানে বিক্রি করা হয় চার্জার ফ্যান, চার্জার লাইট ও আইপিএস। গত দুই মাসে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন দোকানীকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এদিকে বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদা বেশি থাকায় দেখা দিয়েছে পণ্যের সংকট, তাই বেড়েছে দাম। অবশ্য, ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত মাঠে চলছে অভিযান।

কয়েকজন ক্রেতা বলেন, এক সপ্তাহ আগে যে ফ্যানের দাম ছিল আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। সেই ফ্যান এখন বিক্রি হচ্ছে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে এই দাম বাড়িয়েছে। এটার প্রতিকার হওয়া দরকার।

শহরের পুরানবাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, হঠাৎ কয়েকদিন ধরে চার্জার ফ্যানের চাহিদা বেড়েছে। তাই রাজধানী ঢাকার পাইকারী মার্কেটেও সংকট দেখা দিয়েছে এই ফ্যানের। এতে বাড়তি দামে ফ্যান কিনে, বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। ঢাকা থেকে দাম কমালে, জেলা শহরেও এমনিতেই দাম কমে যাবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জরিমানাও আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছে। শুধুমাত্র একজন জনবল দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে রোধ করা সম্ভব না। এটা রোধ করা এখন কঠিন কাজ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!