1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
প্রশ্নপত্র ফাঁস, কোটিপতি হয়ে আপন ভাইদের সাথে সর্ম্পক রাখেনি আবেদ আলী - Madaripur Protidin
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লিবিয়ায় বন্দির পরে নিখোঁজ মাদারীপুরের তিন যুবকের সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন রাজৈরে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত

প্রশ্নপত্র ফাঁস, কোটিপতি হয়ে আপন ভাইদের সাথে সর্ম্পক রাখেনি আবেদ আলী

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪, ৫.৫৭ পিএম
  • ৬১৫ জন পঠিত

মাদারীপুর সংবাদদাতা:
পিএসসির চেয়ারম্যানের গাড়িচালক হয়ে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ায় আপন ভাইদের সাথে সুসর্ম্পক রাখেনি সৈয়দ আবেদ আলী জীবন। গেলো কয়েকবছর ধরে নিজ বাড়ী মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার পশ্চিম বোতলা গ্রামে এসে আলিশান বাড়ী করলেও আপন ভাইদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। এখনো দোচালা টিনের ঘরে ভাইয়েরা পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। তাই তো আবেদ আলী গ্রেফতার হওয়ায় আপন ভাইদের কোন ক্ষোভ নেই, বরং তদন্ত করার দাবী তাদের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোচালা টিনের ঘরে বসবাস করছে সৈয়দ আবেদ আলীর ছোট ভাই সাবেদ আলী। এখনো তিনি অটোরিক্সা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছে। দু’মুঠো ভাত জোগাড় করতেই যেন হিমশিম খেতে হয়। ঘরেও নেই কোন জৌলস। তাতে আফসোস নেই সাবেদ আলীর। বড় ভাই আবেদ আলীর কোটিপতি হওয়ায় নিয়েও কোন দিন মাথা ঘামায়নি। বরং তার কাছে প্রতিবেশীরা কম-বেশি সহযোগিতা পেলেও আপন ভাইয়ের কোন খোঁজ নেইনি। ঈদ বা কোরবানীতে উপহার দিলেও গ্রহণ করেন না সাবেদ আলী। তাই তো আপন ভাই ও ভাতিজা গ্রেফতার হওয়াতে কোন আপেক্ষ বা অনুরাগ নেই সাবেদ আলীর। বরং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে পরিস্কার করার দাবী তার।

সৈয়দ আবেদ আলীর ছোট ভাই সাবেদ আলী জানান, ১৯৯৭ সালের দিকে আমি মেরাদিয়াতে চানাচুর বিক্রি করতাম। আবেদ আলী থাকতো ইন্দিরা রোডে। সে বেকার ছিল। মাঝে মধ্যেই আমার থেকে মেসের খরচের জন্য ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা নিত। তবে শাহিন নামে এক বন্ধুর মাধ্যমে পিএসসিতে চাকরি হওয়ার পর ওই বছরই সে বিয়ে করে। বিয়ের পরে সে আমাদের পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখেনি। এখনও তার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!