1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
ঢাকার আশুলিয়ায় ২৮ বছর বয়সে ৫টি বিয়ে, মানব পাচার, পার্লারের আড়ালে দেহ ব্যবসার অপরাধে ২ নারী সহযোগীসহ ৩ জন গ্রেফতার - Madaripur Protidin
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান আদালত। তিন দোকানিকে ৬৭হাজার টাকা জরিমানা জাল দলিল করায় ৪ জনের  সাত বছরের সাজা: রাজৈরে ১৪ বছর পর আদালতের নির্দেশে জমি ফিরে পেলো  বাদী। রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে ইউপি ও ১২জন মেম্বর আওয়ামীলীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ৭৫ জন যুবদের ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ  প্রদান  মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের অঙ্গীকার মাদারীপুরে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজৈরে  বিশ্ব রক্তদান দিবসে  র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ “ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে লাল কার্ড ” মাদারীপুরে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’-২০২৬’ উদযাপিত ইউরোপে পাঠানোর ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রাজৈরে “অভাবই নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারন”শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

ঢাকার আশুলিয়ায় ২৮ বছর বয়সে ৫টি বিয়ে, মানব পাচার, পার্লারের আড়ালে দেহ ব্যবসার অপরাধে ২ নারী সহযোগীসহ ৩ জন গ্রেফতার

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১, ১.৫৩ পিএম
  • ৬৪৮ জন পঠিত

অফিস রিপোর্টঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন এলাকা হতে ২৮ বছর বয়সে ৫টি বিয়ে, শতাধিক নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন, মানব পাচার এবং পার্লারের আড়ালে দেহ ব্যবসার অপরাধে ২ নারী সহযোগীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

র‌্যাব জানায়, একাধিক ভুক্তভোগী অধিনায়ক, র‌্যাব-৪ বরাবর অভিযুক্ত শাহীন খান (২৮) এর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফিসহ একাধিক বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি আমলে নিয়ে র‌্যাব-৪ এর একটি গোয়েন্দা দল অনুসন্ধান শুরু করে এবং অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায়, গত ২৭ ডিসেম্বর র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মানবপাচার ও জোরপূর্বক দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত করার অভিযোগে ৩ জন আসামী’কে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়ঃ গ্রেফতারকৃতরা হলো শাহীন খান (২৮), জেলা-ঢাকা, সেলিনা আক্তার (৩৫), জেলা-ঢাকা ও জান্নাতুল ফেরদৌস (৩২), জেলা-ঢাকা।

শাহীনের উত্থানঃ গ্রেফতারকৃত আসামী শাহীন খান (২৮) একটি লম্পট চরিত্রের মানুষ। অভিযুক্ত মোঃ শাহিন ১০ই জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পাড়া গ্রাম এলাকায় জন্মগ্রহন করে। তার পিতা পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। তার পিতা গত ১২ বছর পূর্বে মৃত্যৃবরণ করে। শাহীন একটি স্থানীয় স্কুল হতে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। শাহীন সুদর্শন হওয়ায় অল্প বয়সেই চারিত্রিক ও নৈতিক অধঃপতনে চলে যায়। মায়েরইচ্ছা থাকাসত্তেওঅষ্টম শ্রেণীর পর তাকেআর বিদ্যালয়েপাঠানোযায়নি। এলাকায়উঠতিবয়সী মেয়েদের সাথে অনৈতিকসম্পর্ক তৈরীকরাতারএকটি নেশায়পরিণতহয়। চারভাইয়েরমধ্যে সবচেয়ে ছোটশাহিন বেপরোয়াভাবেচলাফেরাশুরুকরেএবংঅনৈতিকজীবনযাপনেরদিকেনিজেকে অস্বাভাবিকরূপেধাবিতকরে।

শাহীনের বৈবাহিকজীবনঃ শাহীন গত ২০১৪ সালে ২১ বছরবয়সেআশুলিয়ার এক মেয়েকে জোরপূর্বক বিয়ে করে এবং এ সময় অন্য আরেক নারীর সাথে অবৈধ সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে তাকে বিয়ে করে। এর ১ বছর পর ২০১৭ সালে সাভার ব্যাংক কলোনীর এক নারীকে বিয়ে করে।

২০১৯ সালে মোহাম্মদপুর এলাকায় এক নারী’কে অবৈধভাবে ফাঁদে ফেলে নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে এবং পরে বিয়ে করে। এখানেই শেষ নয়, শাহীনকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, এই বছরের অক্টোবর মাসে আসামী সেলিনা আক্তারকেউ পূর্বের মত বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে এবং বিয়ে করে, যদিও উক্ত বিবাহের প্রমাণ স্বরূপ কোন ডকুমেন্ট সে প্রদর্শন করতে পারে নাই। এছাড়াও শতাধিক নারীর সাথে শাহিন খানের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। তার এই অসামাজিক ও অনৈতিক কাজের জন্য তার তৃতীয় স্ত্রী এবং মাতার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন।

গ্রেফতারকৃত সেলিনা আক্তার একটি পার্লার ব্যবসার নামে নারীদেরকে নিয়ে অবৈধভাবে দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত করত। পার্লারে মেয়েদের কাজ শেখানোর নাম করে নিয়ে এসে অন্যভাবে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে বিপদ গ্রস্থ করত। সেলিনা আক্তার মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানাযায়। ইতোপূর্বে সে থানা পুলিশ কর্তৃক আটক হয়েছিল। সম্প্রতি শাহিন খান এবং সেলিনা আক্তার উভয়ে যৌথভাবে মাদক ব্যবসাসহ দেহ ব্যবসায় নিজেদেরকে সম্পূর্ণ রূপে নিয়োজি তকরে। সেলিনা আক্তার নিজকে একজন প্রভাবশালী নারী বলে এলাকায় পরিচয় দিয়ে আসছিল। সেলিনা আক্তার অষ্টম শ্রেণী পাস হলেও নিজেকে একটি স্বণামধণ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট বলে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছে। গ্রেফতারকৃত অপরআসাম ীজান্নাতুল ফেরদৌস তার সাভার ব্যাংক কলোনীর বাসায় গ্রেফতারকৃত শাহীন ও সেলিনা আক্তারের সাথে মিলে দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ দেহ ব্যবাসার স্থান রূপে ব্যাবহার করে আসছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত শাহীন সুস্থ স্বাভাবিক জীবনের আড়ালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবিবাহিত ও বিপতœীক হিসেবে পরিচয় ও ভুয়া ঠিকানা দিয়ে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে অবৈধভাবে শারীরিক ভাবে মিলি ত হত। শাহিন খান বিভিন্ন সময়ে নিজের বিভিন œভুয়া পরিচয় প্রদান করে। কখনো শাহিন ইসলাম জীবন, কখনো শাহিন খান, কখনো মোঃ শাহিন ইসলাম নামে নিজের পরিচয় দেয়। সে ভূয়া সাংবাদিক আইডি কার্ড দেখিয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিত। এছাড় াব্যবস্থাপনা পরিচালক, শাহিন এন্টারপ্রাইজ, ব্যস্থাপনা পরিচালক, উন্নয়ন সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির পরিচয় দিত। অষ্টম শ্রেণী পাস হলেও উচ্চশিক্ষিত বলে প্রচার করত মুখোশধারী শাহীন কৌশলে ট্রাপে ফেলে বিশেষত নারীদের সাথে অনৈতিকভাবে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভিডিও ধারণ করে তার মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করত। শাহিনের ব্যক্তিগত মোবাইলে এর বহু তথ্য-প্রমাণ পাওয় াযায়। জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন উপরোক্ত অভিযোগের স্বীকারোক্তি প্রদান করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদে রবিরুদ্ধে মানবপাচার, পর্নোগ্রাফি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতে এইরুপ জঘণ্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে র‌্যাব-৪ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!