1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
আট মাসের সন্তানকে রেখে স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে স্বামী কাওসার কারাগারে - Madaripur Protidin
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকেরহাটে মোবাইল ছিনতাইকারিকে ধরতে গিয়ে মারা গেল মৃজন মতুব্বর শারদীয় দুর্গাপুজা: রাজৈরে পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্যসহ জেলা প্রশাসন বাংলাদেশকে আর কোন আধিপত্য শক্তির আওতায় আসতে দিবে না জনগণ- মাদারীপুরে এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: জাহান্দার আলী মিয়া এমপি। মাদারীপুরে ডিবির অভিযানে ৭ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার রাজৈরে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোরী নিহত, আহত ২ রাজৈরে দুঃস্থ   পরিবারকে আধাপাকা ঘর নির্মান করে দিচ্ছে  গাংকান্দি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন রাজৈরে ৮কেজি গাজাসহ যুবক গ্রেপ্তার মাদারীপুরের টেকেরহাটে আধুনিক মানের  প্রাইভেট হসপিটালের উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া। 

আট মাসের সন্তানকে রেখে স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে স্বামী কাওসার কারাগারে

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩, ৭.২৬ পিএম
  • ৬৬১ জন পঠিত

মাদারীপুর সংবাদদাতা।
বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন। ভেবেছিলেন সন্তান হলে স্বামী আর নির্যাতন চালাবে না। তা আর হয়নি। সবশেষ যৌতুকের ৫ লাখ টাকা দিতে না পারায় তিন মাস আগে ৮ মাসের শিশু সন্তানকে রেখে নাজমিনকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বাবার বাড়িতে। এমন অভিযোগে স্বামী কাওসার আহম্মেদেকে জামিন নামঞ্জুর করে বিজ্ঞ আদালত জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ নির্দেশ দেন।

ভূক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকার ভ্যানচালক ফেরদাউস বেপারীর মেয়ে নাজমিনের সাথে দুই বছর আগে ডাসার উপজেলার দক্ষিন ভাউতলী গ্রামের ইদ্রিস মুন্সীর ছেলে কাওসার আহম্মেদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন ভালো কাটলেও তারপর থেকে নানাভাবে যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে নাজমিনের পরিবারকে। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে ভ্যানচালক ফেরদাউস বেপারী ৩ লক্ষ টাকা মেয়ে জামাই কাওসারের হাতে তুলে দেন। কিছুদিন পর তাদের সংসারে আলিশবা নামে এক কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে।

গত ১৪ মার্চ (মঙ্গলবার) আবারো নাজমিনের পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবী করে কাওসার। পরিবার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শিশু আলিশবাকে রেখে নাজমিনকে তার বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয় কাওসার। এরপর থেকে স্বামী কাওসারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি নাজমিন ও তার পরিবার। পরে উপায় না দেখে সন্তানকে ফেরত পেতে আদালতের দারস্থ হয়েছেন তিনি। এদিকে ঘটনার ৩ মাস হয়ে গেলেও নাজমিন জানে না তার সন্তান কেমন এবং কোথায় আছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে জামিন নেয়ার জন্য আসলে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে উক্ত আসামি কাওসারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার আসামি পেশায় ঢাকা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী।

মামলার বাদী নাজমিন বলেন, ‘আমি আমার স্বামীর সাথে সংসার করতে চাইছিলাম। কিন্তু আমার স্বামী যৌতুকের জন্য মারধর চালাত। অনেক কষ্ট করে মুখ বুঝে সহ্য করছিলাম। কিন্তু টাকার জন্য ওনি আমার দুধের বাচ্চাটারে রেখে আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আজ ঘটনার প্রায় তিন মাস হয়ে গেছে কিন্তু আমার বাচ্চার কোনো খোঁজ নাই। আমার বাচ্চাটা বেঁচে আছে না মেরে ফেলেছে, আমি কিছুই জানি না। আমি আমার বাচ্চারটারে ফেরত চাই। সে আমাকে না জানিয়ে আর একটা বিয়ে করছে। আমি তার শাস্তি চাই।’

মামলার প্রধান আইনজীবী ও মাদারীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া হাওলাদার জানান, ‘আমি এই মামলার একজন আইনজীবী হিসেবে বলবো সে যেটা করেছে এখন থেকে প্রায় আড়াই মাস আগে ৮ মাসের শিশু বাচ্চাকে রেখে বাদী নাজমিনকে তাড়িয়ে দেয় এবং সে বাচ্চা কোথায় আছে কেমন আছে কোন সৎ উত্তর দিতে পারে নাই। এছাড়া এ বিষয় বিভিন্ন পত্রিকা ও সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক উক্ত মামলার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোসলেম আকন জানান, ‘আসামি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে কিন্ত কোন নোটিশ আসে নাই তার স্ত্রীর কাছে এবং সবচেয়ে বড় অপরাধ করেছে ৮ আট মাসের শিশুকে সে রেখে দিয়েছে। আইনে আছে ১৮ বছর (প্রাপ্ত বয়স্ক) না হওয়া পযন্ত মায়ের কাছে থাকবে তার সন্তান। আর এই অপরাধে আসামিকে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!