1. abdulmotin52@gmail.com : ABDUL MOTIN : ABDUL MOTIN
  2. madaripurprotidin@gmail.com : ABID HASAN : ABID HASAN
  3. jmitsolution24@gmail.com : support :
মাদারীপুরে বিদ্যালয়ের টয়লেটে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার ৬ ঘন্টা পরে মুক্ত হলো রাফিন - Madaripur Protidin
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেকেরহাটে মোবাইল ছিনতাইকারিকে ধরতে গিয়ে মারা গেল মৃজন মতুব্বর শারদীয় দুর্গাপুজা: রাজৈরে পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে সংসদ সদস্যসহ জেলা প্রশাসন বাংলাদেশকে আর কোন আধিপত্য শক্তির আওতায় আসতে দিবে না জনগণ- মাদারীপুরে এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: জাহান্দার আলী মিয়া এমপি। মাদারীপুরে ডিবির অভিযানে ৭ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার রাজৈরে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোরী নিহত, আহত ২ রাজৈরে দুঃস্থ   পরিবারকে আধাপাকা ঘর নির্মান করে দিচ্ছে  গাংকান্দি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন রাজৈরে ৮কেজি গাজাসহ যুবক গ্রেপ্তার মাদারীপুরের টেকেরহাটে আধুনিক মানের  প্রাইভেট হসপিটালের উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া। 

মাদারীপুরে বিদ্যালয়ের টয়লেটে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার ৬ ঘন্টা পরে মুক্ত হলো রাফিন

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪, ১১.১৮ এএম
  • ১০১৬ জন পঠিত
মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুরে স্কুলের টয়লেটে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা থেকে ৬ ঘন্টা পরে মুক্ত হলো ৯নং পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র রাফিন। ক্লাস ছুটির পর সবাই বাড়ি গেলেও বিদ্যালয়ের বাথরুমে আটকা পড়ায় বাড়ি ফিরতে পারেনি প্রথম শ্রেণির এক ছাত্র। প্রায় ৬ ঘণ্টা বাথরুমের দরজা ধাক্কাধাক্কি করার পরে অবশেষে শ্বাসরুদ্ধকর এ পরিস্থিতি থেকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বের হয় ১ম শ্রেণির ওই শিশু ছাত্র।ঘটনাটি  শনিবার ( ১৮ মে-২০২৪) এ জানাজনি হলেও বৃহস্পতিবার (১৬ মে) মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের ৯নং পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও ছাত্রের পরিবার সূত্রে জানা যায়, পাঁচখোলা এলাকার মৃত্যু নুরুল হকের ছেলে রাফিন। সে  ৯নং পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর একজন ছাত্র।প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবারও স্কুলে গিয়েছিলেন রাফিন।তখন তাদের পরীক্ষা চলতেছিল। পরীক্ষা শেষে বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর রাফিন টয়লেটে যাওয়ার পরে দপ্তরি খোকন খান টয়লেট চেক না করেই বাহির থেকে রশি দিয়ে আটকিয়ে দেন।পরে শিশুটি দরজাটি খোলার জন্য ডাক চিকিৎসার করলেও কোন সাড়া মেলেনি। এ সময় বারবার দরজা খোলার চিৎকার করায় শিশুটির মুখ দিয়ে রক্ত এসে যায়।ছয় ঘন্টা চেষ্টার পর শিশুটি এক পর্যায় টয়লেটের দরজাটি খুলতে সক্ষম হয়।
এদিকে ছুটির পর শিশুটি বাড়িতে না ফেরায় তার বাড়ির লোকজন বিভিন্ন ছাত্র ও আত্মীয়ের বাড়িতে খুঁজতে থাকেন। এদিকে সন্ধ্যা ৬টার পর বিদ্যালয়ের তিনতলা থেকে একটি মুদি দোকানদারকে বিদ্যালয়ের কেচি গেট খোলার জন্য ডাকাডাকির এক পর্যায়ে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েকজন মিলে শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।
এলাকাবাসী এ ঘটনাকে ১৯৮০ সালের শিশুতোষ চলচ্চিত্র ছুটির ঘণ্টার সঙ্গে তুলনা করে বলেন,  ৬ ঘন্টা পর স্কুলের বাথরুম থেকে জীবিত ফিরে এলেও আর কিছু সময় হলেই ছুটির ঘন্টা বেজে যেত শিশুটির।
সরেজমিনে ওই ছাত্রের বাড়িতে গেলে সে তার ভাষায় বৃহস্পতিবারের ঘটনা বোঝানোর চেষ্টা করলেও তার বাড়ির পরিচালক বাতেন খান শিশুটির সাথে কথা বলতে নিশেধ করেম। এ কারণে শিশুটির বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
দোকানদার বলেন,দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাথরুমের আটকা পড়ার পরে কোন মতে দরজা খুলেই তিন তালার বেলকনি থেকে আমাদের ডাক দেয় পরে আমরা তাকে গিয়ে উদ্ধার করি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা বেগম বলেন, ঐদিন আমি একটা মিটিংয়ে ছিলাম। বের হবার আগ পর্যন্ত এমন কিছু আমার নজরে পড়েনি।আমি পরে জানতে পেরেছি। বিষয়টির সাথে কে জড়িত রয়েছে তা তদন্ত করা হবে।
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন বলেন,এ বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে তদন্ত সাপেক্ষে আইনহত ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বমোট ভিজিট করা হয়েছে

© All rights reserved © 2021

Design & Developed By : JM IT SOLUTION
error: Content is protected !!